উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

এক বছরে ৯ হাতির মর্মান্তিক মৃত্যু, করিডর ম্যাপিংয়ের কাজে নামল রাজ্য বন দফতর

এক বছরে ৯ হাতির মর্মান্তিক মৃত্যু, করিডর ম্যাপিংয়ের কাজে নামল রাজ্য বন দফতর

গত পাঁচ বছরে দুর্ঘটনায় ২৫ হাতির মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে গত এক বছরেই মৃত্যু হয়েছে ৯টি হাতির। এর পরেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য বন দফতর।

  • Share this:

#কলকাতা: গত কয়েক বছরে ক্রমশই বাড়ছে হাতি-মৃত্যু। বাড়তে বাড়তে গত এক বছরে তা রেকর্ড ছুঁয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এবং পরের পর হাতির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার। এই অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতি-করিডর চিহ্নিত করার কাজে নামল রাজ্য বন দফতর।

সংখ্যার হিসেব বলছে, গত পাঁচ বছরে দুর্ঘটনায় ২৫ হাতির মৃত্যু হয়েছে। তার মধ্যে গত এক বছরেই মৃত্যু হয়েছে ৯টি হাতির। এর পরেই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য বন দফতর। সম্প্রতি এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে বেশ কিছু দাওয়াই দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এর পরেই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা শুরু করে বন দফতর। তাতে দেখা যাচ্ছে মূলত লো-টেনশন তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়েই মৃত্যু হয়েছে অধিকাংশেরও বেশি হাতির। এ বার রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর ও বন দফতর যৌথ ভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় রোডম্যাপ তৈরি করাও হচ্ছে।

বন দফতরের হিসেব বলছে, হাতির মৃত্যুর জন্য মূলত দায়ী লো-টেনশন বিদ্যুৎ লাইন। বনের মধ্যে না হলেও বনের সীমানায় বহু গ্রামে খোলা বিদ্যুতের তারের বেড়া তৈরি করে রাখা হচ্ছে, যাতে বিদ্যুস্পৃষ্ঠ হয়ে বেশ কিছু হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। চা-বাগানের বাইরের শ্রমিক মহল্লাতেও এমন বিদ্যুতের বেড়া তৈরি করা হয়েছে।

এই সব জায়গায় হাতির মৃত্যু আটকাতে এবার তাই হাতির আনাগোনার করিডর চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন দফতরের সচিব সুরেশ কুমারের নেতৃত্বে সম্প্রতি বিদ্যুৎ দফতরের একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। তাতে ঠিক হয়েছে, বন এবং বিদ্যুৎ দফতর পরস্পর সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে। বন দফতর প্রথমে জিআইএস ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে হাতির করিডর ঠিক করবে। এ বার ওই চিহ্নিত করিডরে যাতে কম উচ্চতায় যাতে কোনও খোলা বিদ্যুতের তার না থাকে, তা নিশ্চিত করবে বিদ্যুৎ দফতর। যদি একান্তই তার থাকে, তা যাতে ঢাকা থাকে এবং তাতে হাতি যাতে বিদ্যুস্পৃষ্ঠ না হয়, তা-ও দেখবে বিদ্যুৎ দফতর।

বন দফতরের এক কর্তার কথায়, "লকডাউনের মধ্যেও পরের পর হাতির মৃত্যুতে উদ্বিগ্ন রাজ্য সরকার এবং বিদ্যুৎ দফতর। এ ব্যাপারে ওই জন্যই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমাদের আশা, হাতি করিডর ম্যাপিং করার পরে নিয়মিত নজরদারি বাড়ালে আমরা নিশ্চিত ভাবেই হাতির মৃত্যু আটকাতে পারব।"

SHALINI DUTTA

Published by: Shubhagata Dey
First published: November 13, 2020, 11:44 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर