মালদহ জেলা পরিষদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপির দাবি ঘিরে ফের সংশয়

মালদহ জেলা পরিষদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপির দাবি ঘিরে ফের সংশয়

মালদা জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে লড়াই আরও বাড়ল।

মালদা জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে লড়াই আরও বাড়ল।

  • Share this:

#মালদহ: বিজেপিতে যোগ দেওয়া মালদহ জেলা পরিষদের আরও এক সদস্য তৃণমূলে ফিরলেন। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ৯ নম্বর জেলা পরিষদ আসন থেকে নির্বাচিত হন সন্তোষ চৌধুরী। দিনকয়েক আগেই কলকাতায় বিজেপির সদর দফতরে তাঁর যোগদানের কথা ঘোষণা করেছিল নেতৃত্ব। তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার দাবি করেছিলেন মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড়চন্দ্র  মন্ডলও। কিন্তু, হরিশ্চন্দ্রপুরে দলীয় নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে জেলা পরিষদ সদস্য সন্তোষ চৌধুরী জানিয়ে দিলেন তিনি তৃণমূলের সঙ্গেই রয়েছেন। ফলে মালদা জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে লড়াই আরও বাড়ল।

ইতিমধ্যেই দু'পক্ষই দাবি করেছে মালদা জেলা পরিষদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা তাদের দখলে রয়েছে।  মালদা জেলা পরিষদের অন্তত ১৪ জন সদস্য নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন বলে দাবি করেছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল। কিন্তু, সন্তোষ চৌধুরী জানিয়ে দিলেন তিনি বিজেপিতে যাননি, তাঁর নামে মিথ্যা প্রচার চলছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, দল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্দিষ্ট কাগজে স্বাক্ষর করেন সন্তোষ চৌধুরী। এখন তৃণমূলের চাপে তিনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করছেন।যদিও দুই পক্ষের মধ্যে দলবদল আর টানাপোড়েনের জেরে জেলা পরিষদ কার তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মালদা জেলা পরিষদে ৩৭ জন সদস্য আছে । এরমধ্যে বি জে পি র টিকিটে জেতা বর্তমান সদস্য সংখ্যা পাঁচ জন । জেলা সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মণ্ডলের দাবি , ১৪ জন সদস্য তাঁর সঙ্গে বি জে পি তে যোগ দিয়েছেন । মালদা জেলা পরিষদে ম্যাজিক ফিগার ১৯ । অথাৎ যে পক্ষে নূন্যতম ১৯ জনের সমর্থন তাঁরাই জেলা পরিষদ দখলের দাবিদার । বি জে পি নেতা তথা মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মণ্ডলের দাবি , যে কোনও সময় তিনি আস্থা ভোটে প্রস্তুত । তৃণমূল অনাস্থা আনলেই সংখ্যা গরিষ্ঠতার প্রমাণ দেবেন তিনি।

যদিও অন্যদিকে তৃণমূল জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নূরের দাবি সভাধিপতি কখনই সংখ্যা গরিষ্ট সদস্যের শারীরিক উপস্থিতি দেখাতে পারেননি। জেলা পরিষদ সদস্যদের অনেককেই ভুল বুঝিয়ে বি জে পিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। অনেকেই ধীরে ধীরে ফিরছেন। জেলা পরিষদ তৃনমূলের দখলেই ছিল তৃনমূলের হাতেই থাকবে। দাবি মৌসমের

Published by:Pooja Basu
First published: