উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

একুশের লড়াইয়ে পাহাড়ের তিন আসনে জয়ী হবে কে?

একুশের লড়াইয়ে পাহাড়ের তিন আসনে জয়ী হবে কে?

একুশের লড়াইয়ে পাহাড়ের তিন আসনে জয়ী হবে কে? শীতের শৈলশহরে এখন এই একটি প্রশ্নেই উত্তাপ বাড়ছে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: একুশের লড়াইয়ে পাহাড়ের তিন আসনে জয়ী হবে কে? শীতের শৈলশহরে এখন এই একটি প্রশ্নেই উত্তাপ বাড়ছে। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার দুই শিবিরকে কাছে টেনে নিয়ে ঘাসফুল শিবির যখন ভাবছে তারাই অনেকটা এগিয়ে। তখন পালটা পাহাড়ের পাঁচটি আঞ্চলিক দলকে পাশে নিয়ে বাজিমাত করতে মরিয়া পদ্ম শিবির। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পাহাড়ের মূল ইস্যু পৃথক রাজ্য গোর্খাল্যান্ড নয়। মূলত দুটি দাবিকে সামনে রেখে নির্বাচন। প্রথমত, পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান সূত্র বের করা। দ্বিতীয়ত, পাহাড়ের ১৩টি বিভিন্ন জনজাতিকে তফসিলি উপজাতির মর্যাদা দেওয়া। এই দুই দাবি মেটাবে বিজেপি, আশ্বাস দেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তাই পাহাড়ের একদা শাসক বিমল গুরুং ২০০৯ থেকে বিজেপিকে সমর্থন জানিয়ে এসেছে। তিন তিনবার সাংসদ পেয়েছে এই আসন থেকে। ২০১৯-এ দার্জিলিং আসনে বিধানসভার উপ নির্বাচনেও জয়ী হয় বিমলপন্থী মোর্চা এবং বিজেপি সমর্থিত জিএনএলএফ প্রার্থী নীরজ জিম্বা। বিনয়পন্থী মোর্চাকে হারাতে কট্টরপন্থী জিএনএলএফের সঙ্গে হাত মেলান গুরুং।

তবে এবারে অন্য লড়াই। শৈলশহরে ফেরার পরই বিজেপির বিরুদ্ধে চড়া সুর গুরুংয়ের গলায়। সমতল ও পাহাড় মিলিয়ে তিনটে জনসভাতেই বিজেপিকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দিয়ে একুশের নির্বাচনে পরাজিত করার ডাক দিয়েছেন। আজও প্রায় সাড়ে তিন বছর পর দার্জিলিঙের পাতলেবাসের দলীয় কার্যালয়ে বিজেপির বিরুদ্ধেই হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি। বিজেপি দুটো দাবির একটিও মেটায়নি। বিজেপি স্রেফ গোর্খাদের ধোঁকা দিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।  আর তাই উত্তরবঙ্গে অন্তত ১৭-১৮টি আসনে তৃণমূলকে জয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সুর বিনয়পন্থী মোর্চা নেতা অনীত থাপার গলাতেও। কিন্তু দুই শিবির একমঞ্চে বসতে নারাজ। আর এতেই তৃণমূল কিছুটা বেকায়দায়। দুই শিবিরই শক্তি প্রদর্শনের খেলায় ব্যস্ত। আখেরে ভোট বাক্সে এর কতটা প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক মহল। আর তাই জিএনএলএফ, সিপিআরএম সহ পাহাড়ের পাঁচটি আঞ্চলিক দলকে সঙ্গে নিয়ে ময়দানে হাজির গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ'র সঙ্গে গতকাল দিল্লিতে বৈঠকও করেন পাঁচ দলের প্রতিনিধিরা। আজ বাগডোগরায় ফিরে জিআরএনএম নেতা দাওয়া পাখিরিন বলেন, ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। শীঘ্রই কেন্দ্র ভালো কিছু ঘোষণা করবে। এও জানান, তারা এনডিএ'তেই রয়েছেন। গুরুং এবং অনীতরা তো রয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। আমরা পদ্ম শিবিরেই। সবমিলিয়ে পাহাড়ে একুশের কুরুক্ষেত্রের লড়াই নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
Published by: Akash Misra
First published: December 23, 2020, 12:23 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर