হাসপাতালে রুগী দেখতে এলে বা চিকিৎসক দেখাতে এলে 'মাস্ক' পড়া বাধ্যতামূলক

হাসপাতালে রুগী দেখতে এলে বা চিকিৎসক দেখাতে এলে 'মাস্ক' পড়া বাধ্যতামূলক

দার্জিলিং জেলার পাহাড় ও সমতলের ইন্দো নেপাল সীমান্ত এলাকায় কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি:  করোনা ভাইরাস নিয়ে রুগী এবং তাদের আত্মীয়দের সচেতন করে তুলতে উদ্যোগী হল শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার জেলা হাসপাতালের কল্যান সমিতির উদ্যোগে সচেতনতা প্রচার চলে। ভারত-নেপাল সীমান্ত লাগোয়া শহর শিলিগুড়ি। প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ সীমানা পেরিয়ে কেউ শিলিগুড়িতে, কেউ বা আবার নেপাল যাচ্ছেন। নেপালেও করোনার ভাইরাসের নমুনা পাওয়াতে আতঙ্ক ছড়ায়।

দার্জিলিং জেলার পাহাড় ও সমতলের ইন্দো নেপাল সীমান্ত এলাকায় কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পানিটাঙ্কি, সীমানা এবং পশুপতি এই তিন সীমান্তে বিশেষ হেলথ ক্যাম্প চালু করেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। নেপাল থেকে আসা বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশেষ করে অন্য দেশের বাসিন্দা যারা নেপাল হয়ে ভারতে আসছে তাদের দিকে নজর রয়েছে।

সন্দেহ হলেই আইশোলেশনে ভর্তির নির্দেশিকা জারি রয়েছে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেলেও ৬ বেডের আইশোলেশন ওয়ার্ড চালু রয়েছে। এবারে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালেও তৎপর কর্তৃপক্ষ। করোনা সহ অন্যান্য ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে 'মাস্ক' বাধ্যতামূলক করা হল জেলা হাসপাতালে।

এদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই রুগীর আত্মীয়দের এই বিশেষ মাস্ক পড়িয়ে দেয়। হাসপাতালে রুগী দেখতে এলে বা চিকিৎসক দেখাতে এলে 'মাস্ক' পড়তে হবে। রুগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান রুদ্রনাথ ভট্টাচার্য জানান, বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সকলকেই মাস্ক তুলে দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসক, নার্সেরাও তা ব্যবহার করছেন। হাসপাতাল সুপার অমিতাভ মণ্ডল জানান, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত মাস্ক রয়েছে। হাসপাতালে এলেই তা দেওয়া হবে। শুধু করোনাই নয়, অন্যান্য পতঙ্গবাহিত রোগের প্রকোপ বরাবরই দেখা যায় শিলিগুড়িতে। ডেঙ্গির প্রকোপ তো রয়েছে। এর আগে শিলিগুড়িতে এনসেফেলাইটিসও থাবা বসায় পাহাড় ও সমতলে। তাই সর্বদা সজাগ এবং সতর্ক থাকছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর।

First published: February 21, 2020, 10:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर