Home /News /north-bengal /
Waterlogged || জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চায় শহর, পুরসভার দ্বারস্থ শিলিগুড়ির নীচু এলাকার বাসিন্দারা

Waterlogged || জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চায় শহর, পুরসভার দ্বারস্থ শিলিগুড়ির নীচু এলাকার বাসিন্দারা

Waterlogged || সামনের বর্ষায় আর ডুবতে হবে না, আশ্বাস ডেপুটি মেয়রের!

  • Share this:

টানা ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় শিলিগুড়ির একাধিক ওয়ার্ড। চলতি বছরেই তিনবার জলের তলায় ছিল পুরসভার ৪, ৫, ৭, ৯, ৩১ এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ঘরে ঘরে ঢুকে পড়ে জল। বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার জন্যই জল যন্ত্রণায় ভুগতে হয় এলাকাবাসীকে। বার বার দাবি জানিয়ে আসার পরেও বছরের পর বছর সমস্যা যা ছিল তাই তিমিরেই রয়ে গিয়েছে। জলবন্দি অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার উপায় বের হয়নি।

অভিযোগ, সমস্যাটা আজকের নয়। সেই বাম আমল থেকে। বহুবার সমাধানে পুরসভা নীল নকশা তৈরি করার কথা বললেও তা আটকে রয়েছে লাল ফিতের ফাঁসে। ফলে বৃষ্টি হলেই দুশ্চিন্তা গ্রাস করে নীচু এলাকার বাসিন্দাদের। পুরসভায় বামেদের পর কংগ্রেস, ফের বামেরা ক্ষমতায় এলেও সুরাহা হয়নি। এবারে ক্ষমতায় তৃণমূল। জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চায় এলাকাবাসী। সোমবার পুরসভায় এই দাবিতেই স্মারকলিপি দিল এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, জল যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই। দ্রুত বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাশ্বতী মজুমদার জানান, শহরে জল নেমে যাওয়ার পরও এই এলাকায় জল জমে থাকে। হাইড্রেনের কাজ অন্য এলাকায় হলেও আমাদের এলাকায় হয়নি। তাই বর্ষায় দুর্ভোগই সঙ্গী। গঙ্গানগর, অশোকনগরের সমস্যার কাহিনী বহু পুরনো। বর্ষাকাল এলেই এলাকার বাসিন্দাদের ঘুম ছুটে যায়। ড্রেনের নোংরা জল ঢুকে পড়ে রান্নাঘরে। আবার সেই জল পেরিয়েই যেতে হয় স্কুল, কলেজ, অফিস বা ব্যবসার কাজে।  পুরসভার ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার জানান, ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অশোক নগরের জন্যে বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যার টেন্ডারও হয়েছে। পুজোর আগেই কাজ শুরু করা হবে। অন্য ওয়ার্ডগুলোর জন্যেও দ্রুত পরিকল্পনা নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর আশ্বাস, বছর খানেকের মধ্যেই এর একটা সুরাহা মিলবে।

Published by:Rachana Majumder
First published:

Tags: Siliguri, Waterlogged

পরবর্তী খবর