ধূপগুড়িতে অবাধে জলাশয় ভরাট, কাঠগড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক

ধূপগুড়িতে অবাধে জলাশয় ভরাট, কাঠগড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক
প্রতীকী ছবি
  • Share this:

#ধূপগুড়ি: এবার জলাশয়চুরির অভিযোগ অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে। ধূপগুড়ি পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডে জলাশয় বুজিয়ে দোকান তৈরির চেষ্টা শিক্ষক বীরেন বর্মনের বিরুদ্ধে। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নস্ট হচ্ছে । বর্ষায় ভাসবে গোটা এলাকা। সব জেনেও চুপ পুলিশ, প্রশাসন। বাড়ছে ক্ষোভ।

হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। জলাশয় ভরাট রুখতে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন। তবু মূখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর চলাকালীনও জলাশয়-চুরি অব্যাহত জলপাইগুড়িতে।

এবার কাঠগড়ায় ধূপগুড়ি পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বীরেন বর্মন। স্থানীয়দের দাবি, নেতাজি পাড়ায় শনি মন্দিরের পিছনে জলাশয় ভরাট করে তৈরি হচ্ছে শিক্ষকের দোকান।

মাস কয়েক আগে ধুপগুড়ি থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা অতুল রায়। সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিএলআর ও পুলিশ কাজ বন্ধ করে দেয়। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষক বীরেন বর্মনকে গ্রেফতারের জন্য তুলে আনা হয়৷ কিন্তু তৃণমূল শিক্ষাসেলের এক নেতার হস্তক্ষেপে শিক্ষককে শুধুমাত্র হুঁশিয়ারি দিয়েই ছেড়ে দেয় পুলিশ তারপরও বন্ধ হয়নি কাজ৷ কিছুদিন ধরে ফের বালি ফেলে জলাশয় ভরাট করে বাউন্ডারি ওয়াল তৈরী হচ্ছে৷

স্থানীয়রা বলছেন, জলাশয়ের কিছুটা অংশ সরকারি জমি। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি আধিকারিকদের একাংশের যোগসাজোসে আইনের ভুল ব্যাখ্যা করে জমির চরিত্র বদল করে অবাধে জলাশয় ভরাট চলছে। সব জেনেও চুপ প্রশাসন।

এর আগেও ধূপগুড়ি পুরসভার দশ নম্বর ওয়ার্ডে জলাশয় ও নদী বুজিয়ে ইংরেজি মাধ্যম স্কুল তৈরির অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। খবর সম্প্রচারের পরও চলছে কাজ। বিভিন্ন জায়গায় এভাবেই জলাশয় ভরাট করে চলছে প্রোমোটিং ।। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, রক্ষকরাই যদি ভক্ষক হন তাহলে তাঁরা যান কোথায়?

First published: January 22, 2020, 11:27 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर