রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি অধ্যাপকদের স্যাক্ট কার্যকরী করার দাবিতে অনিদৃষ্টকালের জন্য ধর্ণা

২০০৯ সাল থেকে তারা রায়গঞ্জ কলেজে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন ২৪ জন।

২০০৯ সাল থেকে তারা রায়গঞ্জ কলেজে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন ২৪ জন।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ:  রায়গঞ্জ ইউনিভার্সিটি কলেজে কর্মরত অতিথি অধ্যাপকদের স্যাক্টের আওতায় আনার দাবিতে আজ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্ণায় বসল বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি অধ্যাপক সংগঠন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবার হুমকি দিয়েছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন "স্যাক্ট" ( স্টেট এডেড কলেজ টিচার্স) বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আসে না। তাদের এই আওতায় আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে একাধিকবার উচ্চ শিক্ষা দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কাজের কাজ কিছুই হয় নি। এরপরও তারা কেন এ ধরনের আন্দোলনে বসলেন তা তাদের বোধগম্য হচ্ছে না।

২০০৯ সাল থেকে তারা রায়গঞ্জ কলেজে অতিথি অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন ২৪ জন। পরবর্তীতে ২০১৫  সালে রায়গঞ্জ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তীর্ণ হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের সময় উত্তীর্ণ হলেও তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজ্য সরকার অস্থায়ী এবং আংশিক সময়ের শিক্ষকদের জন্য "স্যাক্ট" ঘোষনা করেছেন। স্যাক্টের আওতায় অস্থায়ী শিক্ষক এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকরা এলেও অতিথি অধ্যাপকদের এর আওতায় আনা হয়নি।

তাঁদের এই আওতায় আনতে অতিথি অধ্যাপক সংগঠন লাগাতর আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।বিশ্ববিদ্যালয় তরফ তাদের এই আওতায় আনতে উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে প্রস্তাব পাঠালে সেই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি উচ্চশিক্ষা দফতর।অতিথি অধাপকরা আর্থিক দিক থেকে বঞ্চিত হবার প্রতিবাদে আজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে লাগাতর ধর্না শুরু করলেন। দাবি পূরন না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবার হুমকি দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দুর্লভ সরকার জানিয়েছেন, অতিথি অধ্যাপকরা স্যাক্টের আওতায় আসছে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতি সমব্যাথী। কেন তারা এধরনের আন্দোলনে নামলেন তা তাদের বোধগম্য হচ্ছে না। কারন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে অতিথি শিক্ষকদের স্যাক্টের আওতায় আনার জন্য একাধিকবার উচ্চশিক্ষা দপ্তরের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। উচ্চ শিক্ষা দফতর এ নিয়ে কোন মতামত জানায় নি। আন্দোলনকারীরা এ নিয়ে কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা সেই কাগজপত্র দেখাতেও রাজি। আন্দোলনকারীদের প্রতি সমব্যাথী হয়ে আবার উচ্চশিক্ষা দফতরের কাছে আবেদন জানাবেন।

রাজীব আলী আসমিন নামে এক আন্দোলনকারী জানালেন,  লকডাউন সময়কালে তারা কোন রকম বেতন পান নি। ফলে তারা কোনক্রমে দিন যাপন করছেন। এমনতেই তাদের অবস্থা করুন।  তার উপর তাদের এই স্যাক্টের আওতায় আনে নি। ফলে তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মরতেও রাজি।

Uttam Paul

Published by:Debalina Datta
First published: