• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • VACCINE ISSUE VILLAGERES GOT ANGRY WITH THE HEALTH WORKERS AS THEY DID NOT GET VACCINE SWD

Vaccine: ভ্যাকসিন না পেয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের আটকে রাখল! ঘটনা ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য

মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের বাথরুমে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের বাথরুমে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

  • Share this:

#উত্তরদিনাজপুর: ভ্যাকসিন না পেয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের আটকে রাখল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামীর নেতৃত্বে গ্রামবাসীরা। মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের বাথরুমে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। আটক মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনই ঘটনা ঘটল উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকের পন্ডিতপোতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্ধার করে। প্রধানের স্বামীর অভিযোগ, স্বাস্থ্যকর্মীরা টাকার বিনিময়ে ভ্যাকসিন দিয়েছেন। এজেন্টের মাধ্যমে এই কাজ হয়েছে। বিষয়টি তিনি লিখিত আকারে অভিযোগ করবেন বলে জানান।

আজ ইসলামপুর ব্লকের পন্ডিতপোতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। সকাল থেকে প্রচুর গ্রামবাসী পঞ্চায়েতে এসে লাইন দেন। বিকেলে স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়ে দেন, ভ্যাকসিন শেষ। আজ আর ভ্যাকসিন দেওয়া হবে না। এতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। ভ্যাকসিনের দাবিতে তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন। হাজির হন পন্ডিতপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রাজি বেগমের স্বামী রাসিদ আলম। তাঁর অভিযোগ, সিরিয়াল নম্বরে পড়ে থাকা ব্যক্তি টাকার বিনিময়ে আগে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যকর্মীদের এজেন্টরা এই কাজ করেছেন। এই অভিযোগে দীর্ঘক্ষন স্বাস্থ্যকেন্দ্র কর্মীদের ঘরে আটকে রাখে বলে অভিযোগ। মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীরা বাথরুমে যেতে চাইলেও তাঁদের বাথরুম করতে যেতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এছাড়াও মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ।

স্বাস্থ্যকর্মী শ্যামলি নাগ আতঙ্কে কান্নায় ভেঙে পড়েন। খবর পেয়ে পঞ্চায়েতে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশ আটক স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্ধার করেন। রাসিদ আলমের অভিযোগ, প্রচন্ড গরমের মধ্যে মানুষ দাঁড়িয়ে আছে আর স্বাস্থ্যকর্মীরা গোপনে ভ্যাকসিন বিক্রি করে দিয়ে বলছে শেষ হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী রাজ্যের মানুষকে বিনে পয়সায় ‌টিকা দিচ্ছেন। ভ্যাকসিন যা আছে, সিরিয়ালি পাবে। শেষ হলে আবার পরে পাবে। তিনি বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করবেন বলে জানান।

আলো হালদার নামে এক গৃহবধূ জানালেন, সকাল থেকে সংসার ফেলে ভ্যাকসিনের জন্য লাইন দিয়েছেন। আর তিনি ভ্যাকসিন পেলেন না। চারবার ঘুরে গেলেন। কবে ভ্যাকসিন পাবেন কেউ জানাতে পারছেন না। স্বাস্থ্যকর্মী শ্যামলি নাগ জানান, আজ ১৬০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ছিল। প্রধান জানিয়েছিলেন তার কিছু পরিচিত মানুষদের ভ্যাকসিন দিতে হবে। তাই ৬০টি ভ্যাকসিন আলাদা করে রেখেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন বিক্রির অভিযোগ করছে।এছাড়াও তাকে মারার জন্য পা তুলেছিলেন। এক জন সরকারি কর্মীকে এভাবে হেনাস্থা করা ঠিক নয়।এমনকি তিনি একাধিকবার বাথরুমে যেতে চাইলেও তাকে বাথরুমে যেতে দেওয়া হয়নি বলে শ্যামলি দেবী অভিযোগ করেছেন।

Uttam Paul

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: