উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

নিজেদের সঞ্চিত অর্থে দুঃস্থদের হাতে গ্লাভস, মাস্ক, স্যানিটাইজার তুলে দিল শহরের দুই পড়ুয়া

নিজেদের সঞ্চিত অর্থে দুঃস্থদের হাতে গ্লাভস, মাস্ক, স্যানিটাইজার তুলে দিল শহরের দুই পড়ুয়া

কেননা করোনামোকাবিলায় লকডাউনের জেরে অনেকেরই পরিবারের লোকেদের কাজ নেই। হাতে নেই টাকাও।

  • Share this:

# শিলিগুড়ি: দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ালো শিলিগুড়ির দুই ছাত্র। করোনা মোকাবিলায় এগিয়ে এল শহরের একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের দুই পড়ুয়া। নিজেদের সঞ্চিত অর্থে কেনে কিছু মেডিকেল কিটস। তারপর শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় বুধবার তুলে দেয় শহরের বিভিন্ন প্রান্তের অসহায়, দুঃস্থদের হাতে। ১০০০ জনের হাতে তুলে দেওয়া হয় হ্যাণ্ড গ্লাভস, মেডিকেটেড মাস্ক এবং হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার। ৩টে আইটেম একটি প্যাকেটের মধ্যে নিয়ে ভক্তিনগর থেকে শিলিগুড়ি থানার মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গিয়ে স্বাস্থ্য কিট তুলে দেওয়া হয়।

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে মাস্ক বা ফেস কভার পড়া বাধ্যতামূলক করার নির্দেশিকা জারি করেছে। কিন্তু অনেকেরই তা কেনার সামর্থ্য নেই। তেমনি হ্যাণ্ড গ্লাভস বা হ্যাণ্ড স্যানিটাইজারও কেনার ক্ষমতা নেই। তাই ওদের কথা ভেবে দ্বাদশ শ্রেণির রচিত আগরওয়াল এবং দশম শ্রেণির সিদ্ধান্ত আগরওয়াল এগিয়ে এসছে। শুধু মেডিকেল কিটসই নয়, ক্ষুদে পড়ুয়াদের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রয়োজনীয় খাতাও। কেননা করোনামোকাবিলায় লকডাউনের জেরে অনেকেরই পরিবারের লোকেদের কাজ নেই। হাতে নেই টাকাও। একরকম বিনা মাস্ক বা হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার ছাড়াই চলছিল।

লকডাউনে সরকারি ত্রানই যাদের ভরসা, তাদেরকেই বেছে নেওয়া হয়। শিলিগুড়ি ট্র‍্যাফিক পুলিশের এডিসিপি সহ এসিপি এবং আই সি পদ মর্যাদার কর্তারা সেইসব সামগ্রী তুলে দেয় দুঃস্থদের হাতে। সেইসঙ্গে করোনা নিয়ে একটি ট্যাবলোও এদিন শহরে পরিক্রমা করে। সাধারনণ মানুষকে সচেতন করে তুলতেই এই প্রয়াস পুলিশের।

করোনা নিয়ে আতঙ্ক নয়, সতর্ক থাকার পরামর্শ নিয়েই শহর ঘুরলো ট্যাবলো। লকডাউনের সময়ে অনেক সহৃদয় ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, পুলিশের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে দুঃস্থদের হাতে। অনেকেই তাদের জন্মদিনও পালন করে অসহায়দের মাঝে। এবারে শহরের দুই পড়ুয়া এই কাজে সামিল হল। শিলিগুড়ির ট্র‍্যাফিক পুলিশের এডিসিপি যশপ্রীত সিং এমন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: June 3, 2020, 8:36 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर