• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • Maldah Airport Dead Body Case: বিমানবন্দরের রানওয়ের ধারে যুবক-যুবতীর জোড়া মৃতদেহ! ঘনাচ্ছে রহস্য, খুন?

Maldah Airport Dead Body Case: বিমানবন্দরের রানওয়ের ধারে যুবক-যুবতীর জোড়া মৃতদেহ! ঘনাচ্ছে রহস্য, খুন?

Maldah Airport Dead Body Found: রানওয়ের ধারে পড়ে ছিল যুবক-যুবতীর মৃতদেহ। পাশে মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল।

Maldah Airport Dead Body Found: রানওয়ের ধারে পড়ে ছিল যুবক-যুবতীর মৃতদেহ। পাশে মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল।

Maldah Airport Dead Body Found: রানওয়ের ধারে পড়ে ছিল যুবক-যুবতীর মৃতদেহ। পাশে মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল।

  • Share this:

#মালদহ: মালদহে বিমানবন্দরে জোড়া মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দলের সাহায্য চাইল মালদহ পুলিশ। বৃহস্পতিবার এই ঘটনার তদন্তে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সাহায্য নেওয়ার কথা জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজরিয়া। এদিন বিকেলে ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেন জেলা পুলিশ সুপার।

মালদহ বিমানবন্দরে যুবক-যুবতীর জোড়া মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সিআইডি তদন্তের দাবি তুলল মৃত যুবক-যুবতীর পরিবার। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে সিআইডি তদন্তের আর্জি জানিয়েছে মৃতদের পরিবার। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ দুর্ঘটনা বলে অনুমান করলেও মৃতের পরিবারের দাবি, খুনের সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন- মন্দিরে 'পুজো' দিচ্ছে হিমালয়ের কালো ভালুক! টাইগার হিলের বিরল দৃশ্য মিস করবেন না

এদিন দুপুরে দুই পরিবারের লোকজন এবং প্রতিবেশিরা ফের ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এর পর সিআইডি তদন্তের দাবিতে সরব হন তাঁরা। গত মঙ্গলবার সকালে মালদহ বিমানবন্দরে চত্বরে যুবক-যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত যুবক রনি দাস (২১) এবং যুবতী সাম্বিকা রায়ের (১৯) মৃতদেহ উদ্ধার হয় রানওয়ে থেকে কিছু দূরে ফাঁকা এলাকায়।

মৃতদেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয় একটি মোটরবাইক ও দুটি মোবাইল ফোন। মৃত যুবতীর বাবা বাপ্পা রায় এদিন দাবি করেন, পেশায় সরকারি বাস চালক হওয়ায় জীবনে বহু দুর্ঘটনা দেখেছেন। তবে যেভাবে মেয়ের মৃতদেহ দেখেছেন তাতে দুর্ঘটনা বলে বিশ্বাস করা কঠিন। আর এই কারণেই তাঁরা সিআইডি তদন্ত চান।  প্রায় একই সুরে মৃত যুবকের বাবা নিবাস দাস জানান, ছেলেকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন- শিলিগুড়ির তনুশ্রী যেন রূপোলি পর্দার 'শবরী'! মহিলা পুরোহিতের হাতে সম্পন্ন বিয়ে

শুধু মৃত যুবক-যুবতীর পরিবারই নয়, এদিন প্রতিবেশীদের অনেকেই বিশেষজ্ঞ এজেন্সি নিয়োগ করে ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন। এদিকে মৃতদের পরিবার সিআইডি তদন্ত দাবি করার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। বিমানবন্দরে ঘটনাস্থলে বসানো হয় পুলিশ পিকেট।

এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত পদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন এসপি। প্রাথমিক তদন্তে দুর্ঘটনা মনে হলেও মৃত্যুর সঠিক কারণ ব্যাখ্যার জন্য ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি মৃত দুজনের পরিবারের তরফে এদিন সিআইডি তদন্তের যে দাবি তোলা হয়েছে সেই বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, কোনও এজেন্সি ঘটনার তদন্ত করলেও অসুবিধে নেই। সেক্ষেত্রে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

Published by:Suman Majumder
First published: