ঝুঁকি নিয়েই খুলল জাতীয় সড়কের একটা অংশ, হিলকার্ট রোডে কবে হবে স্বাভাবিক অবস্থা

ধ্বস সরিয়ে ৫৫ নং জাতীয় সড়ক দিয়ে একমুখী ছোটো গাড়ি চলাচল শুরু, যথেষ্টই ঝুঁকির যাতায়াত!

ধ্বস সরিয়ে ৫৫ নং জাতীয় সড়ক দিয়ে একমুখী ছোটো গাড়ি চলাচল শুরু, যথেষ্টই ঝুঁকির যাতায়াত!

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: ধ্বস সরিয়ে যান চলাচল শুরু হল ৫৫ নং জাতীয় সড়কে। শিলিগুড়ি ও দার্জিলিংয়ের সংযোগকারী হিলকার্ট রোড। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে টানা বৃষ্টির জেরে ধ্বস নামে তিনধরিয়ায়। ৭০ মিটার রাস্তা সম্পূর্ণ ধ্বসে গিয়েছে। শনিবার বেলা শেষে পূর্ত দফতরের এন এইচ ৯ নং ডিভিশনের কর্মীরা জেসিবি দিয়ে ধ্বস সরানোর কাজ করে। কিছুটা অংশের ধ্বস সরানো গেছে। তারপরই একমুখী যান চলাচলের অনুমতি দেয় পূর্ত দফতর। তবে শুধুমাত্র ছোটো গাড়ি চলাচলেই মিলেছে সবুজ সংকেত। তাও যথেষ্টই ঝুঁকিপূর্ণ!

রেল লাইনের ট্র‍্যাকের ওপর দিয়ে ধীর গতিতে চলছে ছোটো গাড়ি। বড় গাড়ি আপাতত চলার কোনো সম্ভবনাই নেই বলে পূর্ত দফতর সূত্রে জানা গেছে। জাতীয় সড়ককে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে অন্তত আড়াই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। কেননা, কার্শিয়ংয়ের দিকে ৩০ মিটার এবং শিলিগুড়ির দিকে ৪০ মিটার রাস্তা সম্পূর্ণ ধ্বসে গেছে। শূণ্যে ঝুলছে জাতীয় সড়ক। স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় সড়ক সংস্কার সময়সাপেক্ষ।  বিকেলে এলাকা পরিদর্শনে যান পূর্ত দফতরের এন এইচ ৯ নং ডিভিশনের পদস্থ ইঞ্জিনিয়ররা। তারা ধ্বস বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।

এদিকে জাতীয় সড়ক ধ্বসে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছে লাগোয়া একাধিক চা বাগান। কেননা তিনধরিয়া থেকে কার্শিয়ং পর্যন্ত ৪টে চা বাগান রয়েছে। প্রতিটি বাগানের কয়লা থেকে অন্য সামগ্রী প্রতিদিনই আনতে হয় শিলিগুড়ি থেকে। রাস্তা বন্ধ থাকায় বাড়ছে সমস্যা। তেমনি তৈরি চায়ের প্যাকেট নিলামে যায় শিলিগুড়ি। সেক্ষেত্রেও সমস্যা। ঘুরপথে গাড়ি চলছে।

সময়ও বেশি লাগছে। ফি বছরেই ধ্বসের জেরে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই চা বাগান কর্তৃপক্ষ স্থায়ী সমাধান দাবি করেছে। যোগমায়া এক্স বাগানের ম্যানেজার অভিনাশ শর্মা জানান, এটা প্রাকৃতিক বিপর্যয়। কিন্তু প্ল্যান করে উন্নতমানের স্থায়ী সমাধান করতে হবে। যাতে প্রতি বছরই ধ্বসের জেরে যেন রাস্তা বন্ধ হয়ে না পড়ে। এর থেকে বেরিয়ে আসার উপায় বের করতে হবে পদস্থ ইঞ্জিনিয়রদের।

Partha Sarkar

Published by:Debalina Datta
First published: