• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • অবশেষে করোনা জয়, ২০ দিনের মাথায় বাড়ি ফিরছেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব

অবশেষে করোনা জয়, ২০ দিনের মাথায় বাড়ি ফিরছেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব

করোনা জয় করলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব

করোনা জয় করলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব

করোনা জয় করলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনা নিয়ে উদ্বেগ কিছুতেই কমছে না। যত দিন এগচ্ছে ততই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের গ্রাফ। হুঁশ ফিরছে না শহরবাসীর। শুধুই কি শহর?  গ্রামাঞ্চল থেকে পাহাড়... সর্বত্রই দ্রুত গতিতে থাবা বসিয়েছে করোনা।  আক্রান্তের দিক থেজে উত্তরবঙ্গের বাকি ৭ জেলাকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়ে এক নম্বরে দার্জিলিং! আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও কম নয়। তবুও সচেতন নাগরিকের সংখ্যা হাতে গোনা। ন্যূনতম স্বাস্থ্য বিধি মানার বালাই নেই বরং নিউ নর্মালে সবটাই যেন স্বাভাবিক আর এই ঢিলেঢালার জেরে করোনার প্রকোপ বেড়েই চলেছে।

উৎসবের মরশুম আপাতত শেষ। বিধি মেনে ছট পুজা হওয়ায় সংক্রমণ অনেকটাই ঠেকানো গিয়েছে। অনেকেই এবারে ঘাটে নয়, বাড়ির ছাদে অথবা পাড়ার মাঠে কৃত্রিম জলাশয় বানিয়ে সূর্যদেবের পুজো করেছিলেন। কিন্তু বাজারঘাট, বাস স্ট্যাণ্ড, রাস্তায় গিজগিজে ভিড় কিছুতেই কমানো যাচ্ছে না। শহরবাসীদের হুঁশ ফিরলেই একমাত্র সংক্রমণ কমতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে ভালোখবর, করোনা জয় করলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। টানা ১৯ দিন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করে অবশেষে জয়ী হলেন। একবার, দু'বার নয়, পাঁচ-পাঁচবার তাঁর লালা রসের নমুনা রিপোর্ট পজিটিভ এসছে। আজ রাতে ষষ্ঠবার তাঁর সোয়াব রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আগামিকাল ২০ দিনের মাথায় বাড়ি ফিরছেন মন্ত্রী। মন্ত্রীর রিপোর্ট নেগেটিভ আসার খবরে উচ্ছ্বসিত অনুগামীরা ।

তবে সুস্থ হয়ে ফিরলেও আরও কিছুদিন চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে বাড়িতেই বিশ্রাম নেবেন গৌতম দেব । অন্যদিকে গত ৭২ ঘণ্টায় শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ড এবং দার্জিলিংয়ের পাহাড় ও সমতলের চারটি ব্লক মিলিয়ে নতুন করে আক্রান্ত ২৮৯ জন। এর মধ্যে পুর এলাকাতেই আক্রান্ত ১৫৬ জন! অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি। সেইসঙ্গে সুস্থতার হারও ভালই। গত তিন দিনে করোনা জয় করেছেন ১৫২ জন যা যথেষ্টই আশাব্যঞ্জক। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীদের ধরলে সংখ্যাটা আরও বাড়বে।

PARTHA PRATIM SARKAR

Published by:Rukmini Mazumder
First published: