তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তাল ইসলামপুর কলেজ

তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তাল ইসলামপুর কলেজ

ফের রাজনৈতিক দলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠল কলেজ ক্যাম্পাস ৷

ফের রাজনৈতিক দলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠল কলেজ ক্যাম্পাস ৷

  • Share this:

    #ইসলামপুর: ছাত্র সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত কলেজ চত্বর। ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচন নিয়ে টিএমসিপি-র দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ইসলামপুর কলেজ। জখম তেরোজন পড়ুয়া। ইটের আঘাতে জখম হন পাঁচ পুলিশকর্মীও। সংঘর্ষের ঘটনায় একে অন্যের দিকে আঙুল তুলেছেন শাসক দলের প্রাক্তন ও বর্তমান বিধায়ক। 

    বৃহস্পতিবার কলেজের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনকে ঘিরে প্রাক্তন ও বর্তমান বিধায়কের গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাধে বিধায়ক কানাইয়া আগরওয়ালা ও পরাজিত করিম চৌধুরী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায় কলেজ চত্বরে।

    ছাত্র সংসদ দখলে এসেছে আগেই। এবার জিএস নির্বাচন নিয়ে ইসলামপুর কলেজে সংঘর্ষে জড়াল তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী। সংঘর্ষ বাঁধে প্রাক্তন বিধায়ক ও মন্ত্রী  আব্দুল করিম চৌধুরী এবং বর্তমান বিধায়ক কানাইয়ালাল আগরওয়ালের অনুগামীদের মধ্যে। নির্বাচন শুরুর মুখেই আব্দুল করিমের অনুগামীরা অভিযোগ তোলে, তাঁদের চার সদস্যকে অপহরণ করেছে অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। তা নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা, মারপিট। লাঠি, বাঁশ দিয়ে একে অন্যের ওপর চড়াও হয়। ভাঙা হয় কলেজের চেয়ার-টেবিলও।

    ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ বাহিনী। দুই পক্ষের ইটবৃষ্টির মাঝে পড়ে জখম হন অন্তত পাঁচজন পুলিশকর্মী। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস।  তবে এলাকায় এখনও যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে ৷ যুযুধান দুই পক্ষ এখনও দুই দিকে দাঁড়িয়ে।

    টিএমসিপি-র দখলে ইসলামপুর কলেজ -২৮ জানুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছাত্র সংসদের ৪৩টি আসনে জয়ী টিএমসিপি - প্রাক্তন বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর গোষ্ঠীর হাতে ২২টি আসন - বিধায়ক কানাইয়ালাল আগরওয়ালের অনুগামীদের হাতে রয়েছে ২১টি আসন অশান্তি এড়াতে দলীয় আলোচনায় স্থির হয়,জিএস নির্বাচিত হবে আব্দুল করিম গোষ্ঠী থেকে,এমনটাই দাবি করিম শিবিরের । কিন্তু কানাইয়ালালের গোষ্ঠী তাতে বাধা দিতেই হামলা চালায় বলে অভিযোগ প্রাক্তন বিধায়কের। যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বর্তমান বিধায়ক। সংঘর্ষের জেরে আপাতত জিএস নির্বাচন স্থগিত রেখেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। কলেজ চত্বরে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ।
    First published: