চা বাগানের জমি নিয়ে বিবাদের জেরে সংঘর্ষ, দো-নালা বন্দুকের গুলিতে আহত তিনজন

চা বাগানের জমি নিয়ে বিবাদের জেরে সংঘর্ষ, দো-নালা বন্দুকের গুলিতে আহত তিনজন

চা বাগানের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবদ ঝামেলা চলছিল। সেই ঝামেলা থেকেই আজকের এই ঘটনা।

চা বাগানের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবদ ঝামেলা চলছিল। সেই ঝামেলা থেকেই আজকের এই ঘটনা।

  • Share this:

#ইসলামপুর: ইসলামপুর চা বাগান জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের মধ্যে সংঘর্ষ। সংঘর্ষে দোনালা বন্দুকের গুলিতে আহত তিনজন। আহতদেত ইদলামপুর মহকুমা হাসপাতালে আনা হয়েছে।এলাকায় উত্তেজনা থাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাটি ইসলামপুর থানার ভদ্রকালী গ্রামে। এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশি টহলদারি চলছে।

জানা গিয়েছে, ইসলামপুর থানার ভদ্রকালী গ্রামে একটি চা বাগান নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন যাবদ বিবাদ চলছিল। গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য তারিক আহমেদ সকালেই সুজালি এবং আগডিমটি গ্রাম থেকে লোক জমায়েত করে রেখেছিল বলে অভিযোগ। এমনকি তাদের সঙ্গে অস্ত্রও ছিল বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে, অন্যদিনের মত আজও ভদ্রকালী বাজারে চা খেতে এসেছিলেন অনেকে। আচমকাই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন আহত রাকেশ হুসেন। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। মারামারি চলাকালীন এক গোষ্ঠী  দোনালা বন্দুক দিয়ে গুলি ছোড়ে।  গুলিতেই তিন জন আহত হন। এই ঘটনাকে  কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

ইসলামপুর থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের ইসলামপুর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে। দুই গোষ্ঠী শাসক তৃণমূল কংগ্রেস হলেও এই ঘটনায় রাজনীতি কোনও যোগ নেই এই দাবি করেছেন আহতরা। আহত মহমদ জামিরুল জানান, তিনি ঘটনা নিয়ে কিছুই জানতেন না। কাজ সেরে বাড়ির দিকে যাওয়ার সময় তাঁর উপর আচমকাই তারিকের লোকজন গুলি ছোড়ে। সেই গুলিতেই তিনি আহত হয়েছেন।

চা বাগানের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবদ ঝামেলা চলছিল। সেই  ঝামেলা থেকেই আজকের এই ঘটনা। তারিকের লোকেরা পরিকল্পনা করেই ভদ্রকালী বাজারে জমায়েত হয়েছিল। ছড়রা গুলিতে জামিরুল ছাড়াও আহত হয়েছেন রাকেশ এবং মহম্মদ জাহিদূল। ইসলামপুর পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ সেখানে পৌছেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Published by:Simli Raha
First published: