আলিপুরদুয়ারে এবার ত্রিমুখী লড়াই, তৃণমূল বনাম বিজেপি বনাম বাম

আলিপুরদুয়ারে এবার ত্রিমুখী লড়াই, তৃণমূল বনাম বিজেপি বনাম বাম
  • Share this:

#আলিপুরদুয়ার: প্রার্থী থাকলেও লড়াইয়ে নেই কংগ্রেস। তাই, আলিপুরদুয়ারে লড়াই এবার ত্রিমুখী। একদা এই বাম দুর্গে পাঁচ বছর আগেই ধস নামায় তৃণমূল। এবার কী হবে? আলিপুরদুয়ার জবাব দেবে ১১ এপ্রিল।

পাহাড়, জঙ্গল, চা বাগান ঘেরা আলিপুরদুয়ার।চা বাগানের ভোট যার, এই আলিপুরদুয়ার তার।আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রটি তফসিলি উপজাতিদের জন্যই সংরক্ষিত৷ এখানে তফসিলি উপজাতি ভোটার প্রায় ৩৮ শতাংশ ৷ প্রায় ৯ শতাংশ গোর্খা ভোট ৷ এই দুই ভোটব্যাঙ্ক নিজেদের দিকে যারা টানতে পারবে তাদেরই বাজিমাত। সেই লক্ষ্যেই বিজেপি আলিপুরদুয়ারে প্রার্থী করেছে জন বার্লাকে। এসময়ে আলিপুরদুয়ারের অনেকেই মনে করতেন, পাহাড়ে নেতা বিমল গুরুঙ হলে, ডুয়ার্সের নেতা জন বার্লা। ২০০৬-০৭ সালে যখন গোর্খা আন্দোলনে পাহাড় অশান্ত, তখন সমতলে গোর্খা আন্দোলনের বিরোধিতা করে আদিবাসীদের এককাট্টা হওয়ার ডাক দেন জন বার্লা। আদিবাসী বিকাশ পরিষদের সে দিনের নেতা এখন গেরুয়া জার্সিতে। এখন তিনি গুরুঙেরও কাছের। চা বাগানে কান পাতলে শোনা যায়, আলিপুরদুয়ারে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে জন বার্লাকে দাঁড় করানোর পিছনে না কি বিমল গুরুং-রোশন গিরিদের ভূমিকা রয়েছে। যদিও, এ প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন বার্লা।

আলিপুরদুয়ারে পিছিয়ে পড়া একাধিক জনজাতির বাস। কয়েক বছর আগে পর্যন্ত টোটোদের ভাষাই অনেকে বুঝতে পারতেন না। সেই টোটো পাড়ার সঞ্জিত টোটো এখন তুফানগঞ্জ ব্লকের আধিকারিক। তৃণমূলের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যেভাবে সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন করেছে, তার সুফল পাচ্ছেন আলিপুরদুয়ারের সকলেই। সেই উন্নয়নের দাবিই তৃণমূল প্রার্থী দশরথ তিরকের অন্যতম প্রধান অস্ত্র।

উনিশশো সাতাত্তর থেকেই আলিপুরদুয়ার ছিল বাম-দূর্গ। প্রথম ধাক্কা ২০১৪-য়।উনিশশো সাতাত্তর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার লোকসভা আসনটি ছিল বামফ্রন্টের আরএসপির দখলে ২০১৪'র লোকসভা ভোটে জেতেন তৃণমূলের দশরথ তিরকে আলিপুরদুয়ার লোকসভা আসনের মধ্যে যে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র তার মধ্যে ৬টিতে ২০১৬ সালে জয়ী হয় তৃণমূল। একমাত্র মাদারিহাটে জেতে বিজেপি।আগের সেই শক্তি না থাকলেও তৃণমূল-বিজেপির দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে আরএসপিও।কংগ্রেস প্রার্থী দিলেও আলিপুরদুয়ারে লড়াই এবার ত্রিমুখী। ভোট এগারোই এপ্রিল।

First published: 10:29:28 AM Apr 08, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर