পুজোর চারদিন কার্শিয়ঙেই হয়ে যাক নির্জনতার সঙ্গে রোম্যান্টিক ডেট! রইল বিস্তারিত...

পুজোর চারদিন কার্শিয়ঙেই হয়ে যাক নির্জনতার সঙ্গে রোম্যান্টিক ডেট! রইল বিস্তারিত...
Photo: News 18 Bangla
  • Share this:

#কার্শিয়ং: দুয়োরানি কার্শিয়ং। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে বুড়ি ছুঁয়ে যাওয়া ছোট্ট পাহাড়ি জনপদ। পরতে পরতে যার আগুন-ঝরা রূপ। নির্জন পাহাড়ে কোলে, সবুজ চা-বাগানের ঢালে চুপচাপ দু-একদিন কাটানোর আদর্শ ঠিকানা কার্শিয়ং। পুজো এলেই, পালাই পালাই মন। শহুরে কোলাহল ছাড়িয়ে পাহাড়ি নির্জনতায় দু-একদিন কাটাতে অনেকেরই ডেস্টিনেশন উত্তরবঙ্গ। চেনা স্পটে অচেনা মূহূর্তরা সেখানে অপেক্ষায়। কুয়াশার চাদরে মোড়া ল্যান্ড অফ দ্য হোয়াইট অর্কিড কার্শিয়ং --এক বুক নির্জনতা নিয়ে অপেক্ষায়।

হোটেল, রিসর্টের অভাব নেই। রয়েছে বিভিন্ন হোম-স্টে। সদ্য শুরু হওয়া কনস্ট্যানটিয়া কটেজের অ্যাম্বিয়েন্স নজর কাড়়ছে। ঘরোয়া পরিবেশ। জানলা দিয়ে বরফ-সাজা কাঞ্চনজঙ্ঘা। উলটোদিকে পাহাড়ি চা-বাগান। ব্যালকনি থেকে দূর দিগন্তে জলরঙে আঁকা সূর্যাস্ত। দশ মিনিট হাঁটাপথে বিশ্ববিখ্যাত মকাইবাড়ি চা-বাগান। আর কি চাই? ডে ভিজিটে আশপাশের গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে আড্ডা। মাটির উনুনে রাঁধা ট্রাডিশনাল নেপালি খাবার দিয়ে লাঞ্চ। দিনভর নানা দর্শনীয় স্পট ঘুরে সন্ধেবেলা ঘরে ফেরা।

ট্রাডিশনাল নেপালি ডিশে চার ধরণের আচার। মোমো-সহ ষোল রকম আইটেম। নিরামিষ ডিশের দাম দু’শো টাকা। আমিষ হলে আড়াইশো। মন চাইলে মিলবে চাইনিজও। ঘরের ভাড়া দু’হাজার থেকে তিন হাজার টাকা।

প্রেক্ষা শর্মা, কর্ণধার, কনস্ট্যানটিয়া কটেজ হোমস্টে ( খাবার নিয়ে বাইট)

কিভাবে যাবেন?

--শিলিগুড়ি থেকে কার্শিয়ঙের দুরত্ব ৩৭ কিলোমিটার

--বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে দুরত্ব ৩৬ কিলোমিটার

--সময় লাগে এক থেকে দেড় ঘণ্টা

--এনজেপি বা শিলিগুড়ি জংশন থেকে টয়ট্রেনেও পৌঁছনো যায় কার্শিয়ং স্টেশন

হাতের নাগালে দার্জিলিং, মিরিক। পুজোর চারদিন কার্শিয়ঙেই হয়ে যাক নির্জনতার সঙ্গে রোম্যান্টিক ডেট।

First published: 08:32:05 PM Sep 16, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर