মানবিক পুলিশ ! তিন দিন ধরে রাস্তায় পড়েছিলেন বৃদ্ধ ! পরম যত্নে সেবা করে হাসপাতালে ভর্তি করাল পুলিশ

মানবিক পুলিশ ! তিন দিন ধরে রাস্তায় পড়েছিলেন বৃদ্ধ ! পরম যত্নে সেবা করে হাসপাতালে ভর্তি করাল পুলিশ

করোনা আবহে অসুস্থ কাউকে দেখলে পরিচিত বা পরিজনরা পর্যন্ত সাহায্যে এগিয়ে আসছেন না । এটাই এখন আতঙ্কের চেনা ছবি। অথচ এর একেবারেই উল্টো চিত্র দেখা গেল শুক্রবার মালদহের শোভানগরে।

করোনা আবহে অসুস্থ কাউকে দেখলে পরিচিত বা পরিজনরা পর্যন্ত সাহায্যে এগিয়ে আসছেন না । এটাই এখন আতঙ্কের চেনা ছবি। অথচ এর একেবারেই উল্টো চিত্র দেখা গেল শুক্রবার মালদহের শোভানগরে।

  • Share this:

#মালদহ: গত তিনদিন ধরে রাস্তার ধারে পড়েছিলেন  ৭০ -এর বেশি বয়সের এক অজ্ঞাত পরিচয় বৃদ্ধ । মুখে মাক্স নেই, তার ওপর অজ্ঞাত পরিচয়। ফলে করোনা আতঙ্কে কেউ আশেপাশে ঘেঁষেননি। শেষে অসুস্থ ভবঘুরেকে রাস্তা থেকে তুলে হাসপাতালে ভর্তি করল "মানবিক" পুলিশ। ইংরেজবাজারের  মিলকি ফাঁড়ির শোভানগর ব্রাহ্মণ পাড়া এলাকার ঘটনা।করোনা আবহে অসুস্থ কাউকে দেখলে পরিচিত বা পরিজনরা পর্যন্ত সাহায্যে এগিয়ে আসছেন না । এটাই এখন আতঙ্কের চেনা ছবি। অথচ এর একেবারেই উল্টো চিত্র দেখা গেল শুক্রবার মালদহের শোভানগরে। অসুস্থ ভবঘুরেকে শুধু উদ্ধার করা নয়, হাত পা ধুইয়ে, খাবার খাইয়ে, শরীরের পুরনো নোংরা ও ছেঁড়া জামা কাপড় বদলে, নতুন জামাকাপড় পরিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে করে মিল্কি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে পৌঁছল পুলিশই।

আপাতত ওই বৃদ্ধ মিল্কি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। সুস্থ হওয়ার পর তাঁর পরিচয় জানার চেষ্টা করবে পুলিশ। এরপর বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। পুলিশের এমন ভূমিকায় খুশি স্থানীয়রা। মালদহের মিলকি ফাঁড়ির পুলিশ এদিন খবর পায় রাস্তার পাশে পড়ে রয়েছে এক বৃদ্ধ। এরপর পুলিশকর্মীরা পৌঁছে হাতে গ্লাভস পরে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধারে নেমে পড়েন। তাঁর জন্য স্থানীয় দোকান থেকে নতুন লুঙ্গি আর কুর্তা পাঞ্জাবি কেনা হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। সময় মতো উপযুক্ত পরিমাণ খাবার না পাওয়ার জন্যই শারীরিক দুর্বলতা জনিত সমস্যা রয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা চিকিৎসকদের। পুলিশের এমন ভূমিকায় প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এমন ভাল কাজের শরিক হতে পেরে খুশি অ্যাম্বুলেন্স চালক।মালদহের পুলিশ সুপার অলক রাজোরিয়া বলেন, আতঙ্কিত না হয়ে মানুষের সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এদিন সেই বার্তাই দিয়েছেন পুলিশকর্মীরা।

সেবক দেবশর্মা

Published by:Piya Banerjee
First published: