corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিলিগুড়িতে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ! ফের বন্ধ হয়ে গেল বেশ কিছু দোকানপাট !

শিলিগুড়িতে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত ! ফের বন্ধ হয়ে গেল বেশ কিছু দোকানপাট !

লকডাউন কাটিয়ে সবে দিন কয়েক হল দোকানের ঝাপ খুলেছিল দোকানিরা।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: শিলিগুড়িতে আজ নতুন করে আরও বেশ কয়েকজন করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। শহরের সংযোজিত ওয়ার্ড সহ গ্রামাঞ্চলে একের পর এক করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলছে। গতকাল আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুও হয়েছে। এবারে করোনার থাবা শহরের হৃদপিণ্ডে। অর্থাৎ মধ্য শিলিগুড়িতে। গতকাল ১২ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের এবং আজ নতুন করে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মরত এক ব্যক্তির শরীরে করোনার জীবাণু মিলেছে। শেষ ২৮ মে তিনি এসেছিলেন এই ওয়ার্ডের শেঠ শ্রীলাল মার্কেটে। মার্কেটেই একটি বুটিকের দোকানে দরজির কাজ করতেন। করোনার প্রাথমিক উপস্বর্গ নিয়ে ভর্তি হন কোভিড সাসপেক্টেড হাসপাতালে। আজ রিপোর্ট পজিটিভ আসায় মূহূর্তেই মার্কেটের একটি কমপ্লেক্সের সব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্ধ হয়ে যায় শহরের বিখ্যাত মোমো গলির সব দোকানই।

লকডাউন কাটিয়ে সবে দিন কয়েক হল দোকানের ঝাপ খুলেছিল দোকানিরা। আজ এক পজিটিভ আসায় ফের বন্ধ হয়ে গেল দোকানের ঝাপ। কবে আবার খুলবে তা নির্ভর করছে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর। শেঠ শ্রীলাল মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক খোকন ভট্টাচার্য জানান, সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই মেনে চলবে ব্যবসায়ীরা। সেইসঙ্গে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে আক্রান্তের বাড়ির চারপাশ বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। খুব প্রয়োজন ছাড়া কাউকেই এলাকা থেকে বের হতে মানা করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি ১২ নম্বর ওয়ার্ডের যে আবাসনে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে, সেই আবাসনেও ব্যারিকেড করা হয়েছে। আশপাশের দোকানগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবাসনেও অফিস এবং দোকান রয়েছে। সবই আপাতত বন্ধ। প্রতিটি এলাকাই স্যানিটাইজড করা হয়। খোদ শহরের মধ্যখানে আক্রান্তের খোঁজ মেলায় আতঙ্কিত শহরবাসী। তবুও বেশ সতর্ক তারা।  স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার পথেই শহরবাসী। প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করেন শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারপার্সন অশোক ভট্টাচার্য, পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব, প্রাক্তন কাউন্সিলর রঞ্জন সরকারেরা৷ এলাকাবাসীদের সতর্কতা অবলম্বন করে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

PARTHA PRATIM SARKAR

Published by: Piya Banerjee
First published: June 6, 2020, 10:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर