• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • পাহাড়ে অশান্তির জের, সংকটে দার্জিলিং টি

পাহাড়ে অশান্তির জের, সংকটে দার্জিলিং টি

পাহাড়ে অশান্তির জের। এ বছর দার্জিলিং চা উৎপাদনের আশা কার্যত শিকেয়।

পাহাড়ে অশান্তির জের। এ বছর দার্জিলিং চা উৎপাদনের আশা কার্যত শিকেয়।

পাহাড়ে অশান্তির জের। এ বছর দার্জিলিং চা উৎপাদনের আশা কার্যত শিকেয়।

  • Share this:

    #দার্জিলিং: পাহাড়ে অশান্তির জের। এ বছর দার্জিলিং চা উৎপাদনের আশা কার্যত শিকেয়। সমস্ত চাবাগান বন্ধ। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় চারশো থেকে পাঁচশো কোটি টাকা। বনধ উঠলেও চা বাগানে স্বাভাবিক ছন্দ ফিরতে গড়িয়ে যাবে বছর। টান পড়ছে বিশ্বজোড়া দার্জিলিং চায়ের খ্যাতিতে । চা ব্যবসায়ীদের দাবি, দার্জিলিং চায়ের নামে বাজারে বিক্রি হচ্ছে নেপালের চা।

    শুরুটা হয়েছিল জয়েন্ট ফোরামের চা শিল্পে ধর্মঘট দিয়ে। তারপর পাহাড়ে অনির্দিষ্টকালের বনধ। চরম সংকটে দার্জিলিং চা শিল্প। গত ৯-ই জুন থেকে বন্ধ পাহাড়ের সাতাশিটি চা বাগান। এ মরশুমে আর বাগানগুলিতে উৎপাদনের আশা দেখছেন না চা শিল্পমহল। তাঁদের বক্তব্য, যদি বনধ ওঠেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পরের বছর হয়ে যাবে।

    পাহাড়ে গণ্ডগোল শুরুর আগেই ফাস্ট ফ্লাশ চা উৎপাদন শেষ হয়েছিল। সেখানে উৎপাদিত হয়েছে পয়ত্রিশ শতাংশ চা। সেকেন্ড ফ্লাশে উৎপাদিত চায়ের বাজার দরই আলাদা। েই ফ্লাশের চায়ের উপর বছরে চল্লিশ শতাংশ আয় হয়। এবারএবার আর তা হয়ে ওঠেনি। চা ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই প্রথম সেকেন্ড ফ্লাশ চায়ের মরশুম শুরুর আগে পাহাড়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। ফলে এই চা প্রায় তৈরিই হয়নি। অর্ধেক পাতা নষ্ট হয়ে গেছে।

    ---

    ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৮.১৩ মিলি কেজি দার্জিলিং চা উৎপাদন হয়েছিল ---গত বছর জুন মাসে এই পরিমাণ ছিল ১.৩৩ মিলি কেজি ----২০১৭ সালের জুন মাসে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ০.১৪ মিলি কেজি ----অর্থাৎ প্রায় নব্বই শতাংশ কম

    সেকেন্ড ফ্লাশ চায়ের উৎপাদন কম হওয়ায় বড় অঙ্কের ক্ষতির মুখে চা ব্যবসায়ীরা। হাজার-বারশো থেকে চার হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় দার্জিলিং চা। রফাতানি হয় কেজি প্রতি দশ হাজার টাকায়। গত পঞ্চাশ দিনে সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় চারশো থেকে পাঁচশো কোটি টাকা। সুগন্ধী দার্জিলিং চায়ের অভাবে বিশ্বের বাজার ছেয়ে গেছে নেপালের চায়ে।

    বনধ উঠে গেলেও শুধু উৎপাদন নয়, বাগানের কাজকর্ম কবে স্বাভাবিক হবে তা নিয়েও অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। কারণ শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি মেটাতে হবে। সেটা মেটাতে না পারলেই লক আউটের আশঙ্কা উত্তরের চা বণিক মহলের।

    First published: