corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনার জের, মার খেয়েছে ফার্স্ট ফ্ল্যাশের চা উৎপাদন, বড় ক্ষতির মুখে উত্তরের চা শিল্প

করোনার জের, মার খেয়েছে ফার্স্ট ফ্ল্যাশের চা উৎপাদন, বড় ক্ষতির মুখে উত্তরের চা শিল্প

এক্সক্লুসিভ রিপোর্টে জেনে নিন কত বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়ে চা শিল্প

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনার জেরে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছে উত্তরের চা শিল্প। বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে চা শিল্পপতিদের। কেননা মরসুমের ফার্স্ট ফ্ল্যাশের চা বাগান থেকে তুলতে পারেনি। গত বছরে উত্তরবঙ্গে চা উৎপাদিত হয়েছে ৪০০ মিলিয়ন কেজি। এর মধ্যে ২৫ শতাংশ চা উৎপাদিত হয় ফার্স্ট ফ্ল্যাশে। এবারে করোনার জেরে ফার্স্ট ফ্ল্যাশের পুরো পাতা তুলতেই পারেনি বাগান কর্তৃপক্ষ।

চা মালিকদের সংগঠন সূত্রে খবর, এবারে প্রায় ৩০ শতাংশ চা উৎপাদিত হয়নি ফার্স্ট ফ্ল্যাশে। কেননা মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে বন্ধ হয়ে যায় পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্সের চা বাগান। সংকটে পড়ে চা শ্রমিকেরা। দ্বিতীয় ধাপে নির্দিষ্ট গাইড লাইন বেধে দিয়ে চা বাগান খোলার অনুমতি দেয় রাজ্য। কি সেই গাইড লাইন?

২৫ শতাংশ শ্রমিক দিয়ে কাজ করাতে হবে। সামাজিক দূরত্ব মেনে পাতা তুলতে হবে। মাস্ক বা ফেস কভার প্রতিটি শ্রমিকের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক। সেই সঙ্গে হ্যাণ্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার করতে হবে আবশ্যিকভাবে। আর্থিক ক্ষতি কিছুটা সামলাতে বাগান খোলে চা মালিকেরা। রাজ্যের দেওয়া নির্দেশিকা মেনেই শুরু হয়েছে পাতা তোলার কাজ।

১০০ জন শ্রমিকের কাজ করাতে হচ্ছে ২৫ জনকে দিয়ে। কিন্তু ফার্স্ট ফ্ল্যাশের আর্থিক ক্ষতি পূরণ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে এক বাগানের সহকারী ম্যানেজার। শিলিগুড়ির তরাইয়ের কিরনচন্দ্র বাগানে স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশিকা মেনেই চলছে পাতা তোলা থেকে চা উৎপাদন। এই বাগানের শ্রমিকের সংখ্যা ৮০০-র কাছাকাছি। অর্থাৎ কাটছাট করে এই সময়ে মাত্র ২০০ জন শ্রমিক কাজ করছে পর্যায়ক্রমে। এবং সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং বিধি মেনেই বাগানে কাজে যোগ দিয়েছে তারা। শ্রমিকেরাও তা মেনে নিয়েছেন। বিকল্প পথ যে খোলা নেই। আর এর জেরেই স্বাভাবিকভাবেই মার খাবে দার্জিলিং চায়ের রফতানিও। বিশ্বজোড়া যে চায়ের সুনাম।  ফলে চা মহলও বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়বে।

Partha Sarkar

First published: April 27, 2020, 3:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर