ট্যাক্স মকুব, ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ট্যাক্সি ধর্মঘট শুরু শিলিগুড়িতে

বাগডোগরা বিমানবন্দরে আজ থেকে শুরু হল অনির্দিষ্টকালের ট্যাক্সি ধর্মঘট। বাগডোগরা বিমানবন্দরের সব সংগঠনই যৌথভাবে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

বাগডোগরা বিমানবন্দরে আজ থেকে শুরু হল অনির্দিষ্টকালের ট্যাক্সি ধর্মঘট। বাগডোগরা বিমানবন্দরের সব সংগঠনই যৌথভাবে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।

  • Share this:

Partha Sarkar

#শিলিগুড়ি: মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের মাঝেই ভাড়া বৃদ্ধি ও ট্যাক্স মকুব সহ কয়েক দফা দাবিতে বাগডোগরা বিমানবন্দরে আজ থেকে শুরু হল অনির্দিষ্টকালের ট্যাক্সি ধর্মঘট। বাগডোগরা বিমানবন্দরের সব সংগঠনই যৌথভাবে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। এর জেরে বিপাকে পড়েছে পর্যটন ব্যাবসার সাথে যুক্ত ব্যাবসায়ীরা। এমনকি বিমানবন্দরে আসা পর্যটকরাও বিপদে পড়েন। কলকাতা তো বটেই ভিন রাজ্য থেকে আসা পর্যটকেরা বিমানবন্দরে নেমে মহা সমস্যায় পড়েন।

বিমানবন্দর এবং শিলিগুড়ির মধ্যে সরকারী বাস চলাচল করলেও সংখ্যায় কম। লকডাউন কাটিয়ে সবেমাত্র মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছে পর্যটন শিল্প। শীতের পাহাড়ে থিক থিক ভিড় পর্যটকদের। ঠিক এই সময়ে ট্যাক্সি ধর্মঘটে আবার বড় ধাক্কা পর্যটন শিল্পে। তাঁদের দাবিদাওয়া নিয়ে পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব বারবার বৈঠক করা স্বত্বেও দাবী পূরণ না হতেই তাঁরা ধর্মঘটে সামিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মঘটিরা। এ বিষয়ে সংগঠনের পক্ষে জানানো হয়েছে, "আমরা চাই লকডাউনের ৬ মাসের ট্যাক্স মকুব করা হোক। অন্য কয়েকটি রাজ্যে তা হয়েছে। সরকারকে এই বিষয়টা দেখা উচিত। পাশাপাশি ২০০৮ সাল থেকে গাড়ি ভাড়া বাড়েনি। অথচ পেট্রোল, ডিজেলের দাম বেড়েই চলছে। তাও আমরা জানিয়েছিলাম পর্যটনমন্ত্রীকে। কিন্তু তাঁর কাছ থেকে শুধু আশ্বাসই পেয়েছি। আমাদের গাড়ি ভাড়া না বাড়ালে আমরা আর গাড়ি চালাতে পারব না। প্রয়োজনে পরিবার নিয়ে ভুখ হরতালে বসতে হবে।"

অন্যদিকে, ট্যুর অপারেটর রাজ বসু জানান, সবেমাত্র পর্যটন শিল্প মাথাচাড়া দেওয়া শুরু করেছিল। ঠিক সেই সময় এই ধর্মঘটে বিপদ বাড়বেই। আমি আশা করি আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হবে।পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব এ বিষয়ে বৈঠক করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। তবে এটা ঠিক যেভাবে তেলের দাম বেড়েছে তারপরে ভাড়া না বাড়ালে গাড়ি চালানো মুশকিল হয়ে যাবে। ট্যুর অপারেটারদের সংগঠনেরাও গাড়ির মালিক ও চালকদের পাশেই রয়েছে। রাজ্য ১৫ দিন সময় দিলেও দাবি মেটায় ধর্মঘট ছাড়া বিকল্প পথ খোলা ছিল না বলে সাফ দাবী আন্দীলনকারীদের।

Published by:Simli Raha
First published: