দু'দিনের তাল উৎসবের শুরু শিলিগুড়ির "ইচ্ছেবাড়িতে"! রকমারি তালের আইটেম জমাজমাট

Taal festival has started in icchebari

শিলিগুড়ির "ইচ্ছেবাড়ি"তেও গত তিন বছর ধরে আয়োজন হয়ে আসছে এই উৎসবের।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি:  "...এক পায়ে দাঁড়িয়ে, সব গাছ ছাড়িয়ে, উঁকি মারে আকাশে..." বিশ্বকবি রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের "তাল গাছ" কবিতাটি ছোটো বেলায় পড়েনি। এমন কেউ বাদ নেই। গ্রাম বাংলার দিকে তাকালেই নজরে আসবে সেই তাল গাছের সারি। বাংলার সঙ্গে তাল গাছের নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শ্রাবন মাসের শেষের দিকে আর ভাদ্রে তাল পাকতে শুরু করে। প্রবাদই আছে ভাদ্রের গরম মানেই তাল পাকা গরম! সেই তালের থেকে কি না কি তৈরী করা যায়! তালের বড়া বাঙালির রসনায় এক লোভনীয় খাবার। সেইসঙ্গে তালের খির হিলে তো আর কথাই নেই বাংলা ও বাঙালির। তৈরী হয় আরো নানান রসালো স্বাদের আইটেম। কিন্তু বর্তমান প্রজন্ম এই তাল গাছ থেকে অনেকটাই দূরে। কিন্তু বাংলার ঐতিহ্যে জড়িয়ে আছে এই তাল!

আর তাই প্রতিবারেই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজন করা হয় তাল উৎসবের। শিলিগুড়ির "ইচ্ছেবাড়ি"তেও গত তিন বছর ধরে আয়োজন হয়ে আসছে এই উৎসবের। প্রথম দু'বছর বেশ ঘটা করেই হয়েছিল তাল উৎসব। নানান রকমারি তালের বড়া, তালের মালপোয়া, তাল খির সহ আরো কত কি! ভিড় জমাতো ভোজন রসিক বাঙালি। দেদার কেনাকাটাও হত। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে সুর কেটে যায় এই উৎসবেরও! কোভিড বিধি মেনেই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তা সংযুক্তা বসু। অনলাইনে অর্ডার আসছে। তারপর সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য বিধি মেনে তা প্যাকেজিং হয়ে পৌঁছে যাচ্ছে ভোজনরসিক বাঙালির হাতে!

Taal festival has started in icchebari Taal festival has started in icchebari

সোশ্যাল ডিস্টেনসিং বা সামাজিক দূরত্ববিধি যেমন মানা হল, তেমনি উৎসবেরও আয়োজন করা গেল। তবে অনলাইনে উৎসবের আয়োজনেও চাহিদা কমেনি। যা ভেবেছিলেন, তার চাইতেও বেশী অর্ডার আসতে শুরু করেছে। বলেন আর এক উদ্যোক্তা অভয়া বসু। অতিমারি করোনাও উৎসবকে ফিকে করতে পারেনি। শুধু মিস বলতে বন্ধু, বান্ধব সব্বাই মিলে চুটিয়ে আড্ডার ফাঁকে মুখে তালের বড়া বা ক্ষীর গলিয়ে নেওয়াটা! দু'দিন ধরে চলবে এই উৎসব।

Partha Sarkar

Published by:Debalina Datta
First published: