• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • গুলি করে ছাত্র খুনের ঘটনায় রণক্ষেত্র কালিয়াচক, গ্রেফতার ৭

গুলি করে ছাত্র খুনের ঘটনায় রণক্ষেত্র কালিয়াচক, গ্রেফতার ৭

ফের উত্তপ্ত কালিয়াচক ৷ মঙ্গলবার কালিয়াচকে গুলি করে ছাত্রকে খুনের অভিযোগ উঠেছে ৷

ফের উত্তপ্ত কালিয়াচক ৷ মঙ্গলবার কালিয়াচকে গুলি করে ছাত্রকে খুনের অভিযোগ উঠেছে ৷

ফের উত্তপ্ত কালিয়াচক ৷ মঙ্গলবার কালিয়াচকে গুলি করে ছাত্রকে খুনের অভিযোগ উঠেছে ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কালিয়াচক: ফের উত্তপ্ত কালিয়াচক ৷ কালিয়াচকে ছাত্রকে অপহরণ করে খুন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার সাবির হোসেনের গুলিবিদ্ধ দেহ। পরিবারের অভিযোগ, এলাকার দুষ্কৃতি বকুল শেখ পুরনো শত্রুতার জেরেই খুন করে বদলা নিয়েছে। ছাত্র খুনের প্রতিবাদে সকাল থেকে ভাগলপুরের কাছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে এলাকাবাসী। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে শুরু হয় পুলিশ-অবরোধকারী খণ্ডযুদ্ধ। প্রায় দু-ঘণ্টা পর সাতজনকে গ্রেফতারের পর অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা। যদিও মূল অভিযুক্ত বকুল শেখ এখনও অধরা।

    dddd

    মালদহের কালিয়াচকের ভাগলপুরে ঘটনাটি ঘটেছে ৷ জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধেয় সাবিরকে অপহরণ করে এলাকার কয়েকজন দুষ্কৃতি৷  ঘটনায় বকুল শেখের দলবল জড়িত ৷ এমনটাই দাবি করেছে সাবিরের পরিবার ৷ বকুল শেখ ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে কালিয়াচক থানায় ৷ অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হওয়ায় বাড়ছে ক্ষোভ ৷ দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে ভাগলপুরে প্রায় ২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ ৩৪ নং জাতীয় সড়ক ৷

    সোমবার গভীর রাতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় অনুপনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আমবাগান থেকে উদ্ধার ছাত্রের গুলিবিদ্ধ দেহ। নিহত ছাত্রের নাম সাবির হোসেন, কালিয়াচকের নওদা যদুপুরের বাসিন্দা। পরিবারের অভিযোগ, এলাকায় দুষ্কৃতি বলে পরিচিত বকুল শেখের সঙ্গে নিহতের বাবা ইব্রাহিম মোমিনের পুরনো শত্রুতার জেরেই এই খুন। নিহত ছাত্রের বাবা ইব্রাহিম মোমিন অপর গোষ্ঠীর নেতা জাকির শেখের অনুগামী। আর দুই গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের লড়াই-এর জেরেই এই খুন বলে দাবি পরিবারের।

    গভীর রাতে দেহ উদ্ধারের পর থেকেই ফুঁসছিল গোটা এলাকা। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে সকাল থেকে ভাগলপুরের কাছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে ছাত্রখুনের প্রতিবাদে অবরোধ করে গ্রামবাসীরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। শুরু হয় পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ। রাইফেল ফেলে পালায় পুলিশ। পুলিশকে লক্ষ করে ইট ছোড়ে অবরোধকারীরা। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়ি। ইটের ঘায়ে জখম হন তিন পুলিশকর্মী।

    অবরোধের জেরে প্রায় দু-ঘণ্টা ব্যাহত হয় যান চলাচল। সাতজনকে গ্রেফতার করার পর অবরোধ তুলে নেন এলাকাবাসী। যদিও মূল অভিযুক্ত বকুল শেখ এখনও অধরা।

    First published: