উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রচারের আড়ালে চা বাগানের সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন শিলিগুড়ির সৌমিত্র

প্রচারের আড়ালে চা বাগানের সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন শিলিগুড়ির সৌমিত্র

আজ এই মহল্লায় তো কাল অন্য মহল্লায়। প্রচুর ফোন পাচ্ছেন। নিজের চোখে দেখে এসছেন ওদের করুণ অবস্থার ছবি

  • Share this:

#‌শিলিগুড়ি:‌ কখন‌ও চা বাগিচা এলাকায়। কখনও বা বনবস্তি এলাকায়। লকডাউনের প্রভাব এখনও রয়েছে বস্তি ও চা বাগানের শ্রমিক লাইনে। বিশেষ করে জঙ্গল ঘেঁষা বস্তি এলাকায়। অনেকেরই কাজ নেই। আনলক ওয়ান চালুর পরও পুরোপুরি জনজীবন স্বাভাবিক হয়নি। সংকট কাটেনি। সমস্যায় রয়েছেন দিন আনি দিন খাই পরিবারের লোকেরা।

একে করোনা এবং তার মোকাবিলায় লকডাউন! রাজ্যে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিলেও ৩১ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন চলবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এই অবস্থায় নতুন করে কোনো দিশাই দেখতে পারছেন না বিপিএল স্তরের পরিবারের লোকেরা। মহা দুশ্চিন্তার মধ্যে কাটছে তাদের জীবন। বড় অসহায়! রেশন থেকে চাল, ডাল, গম মিলছে বটে। কিন্তু শাক, সব্জি? কোনোক্রমে দু'বেলা তো খেতে হবে। দুধের শিশুর মুখে কি তুলে দেবেন? দিনভর এই দুশ্চিন্তায় তাড়া করে বেড়াচ্ছে। বিকল্প আয়ের উৎস নেই। পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে জানা নেই কারওরই। চা বাগান এবং বনবস্তিবাসীদের বড় অংশই শহরের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু কাজ নেই শহরেও। হাজার হাজার অসহায় মানুষেরা মাথা তুলে বাঁচতে চায়। ওদের পাশে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সাথে নিয়ে পাশে থাকার শপথ নিয়েছেন শিলিগুড়ির বাসিন্দা সৌমিত্র কুণ্ডু।

আজ এই মহল্লায় তো কাল অন্য মহল্লায়। প্রচুর ফোন পাচ্ছেন। নিজের চোখে দেখে এসছেন ওদের করুণ অবস্থার ছবি। লকডাউনের দিন থেকে সাধ্যমতো করে যাচ্ছেন। শালুগাড়ার এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি যান সেবক পাহাড়ের কাছে ১০ মাইল বনবস্তিতে। সেখানকার ১০২ পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে এসছেন রেশন সামগ্রী। জানিয়ে এসছেন পাশে থাকবেন। আবার ক্রিশ্চান ওয়েলফেয়ার ডেভলোপমেন্ট সোসাইটিকে সঙ্গে নিয়ে যান নকশালবাড়ির হাতিঘিষা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অন্তর্গত জাবরা চা বাগানের শ্রমিক লাইনে। চা বাগিচার ১১০ পরিবারের হাতেও পৌঁছে দিয়ে এসছেন শুকনো খাবারের প্যাকেট। কি থাকছে প্যাকেটে? পরিমাণ মতো চাল, ডাল, রেজমা, লবণ, সোয়াবিন এবং সাবান। আবার কখোনো দিয়ে এসছেন আলু, সরষের তেলও! সৌমিত্রবাবু জানান, ‘‌খুবই অসহায়তার মধ্যে আছেন ওঁরা। সাধ্য মতো পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’‌

 Partha Sarkar

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: June 28, 2020, 6:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर