কাজ না পেয়ে, ফের ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে চললেন রায়গঞ্জের কিছু শ্রমিক !

তারা বাড়িতে এসেও কোন কাজ পাননি।কাজ না করলে তাদের সংসার চলবে না।পেটের জন্যই তারা দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।

তারা বাড়িতে এসেও কোন কাজ পাননি।কাজ না করলে তাদের সংসার চলবে না।পেটের জন্যই তারা দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: লকডাউনের জেরে সমস্যায় পড়েছিলেন ভিন রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকরা। কাজ ছিল না। খাবার ছিল না। বাধ্য হয়ে তাঁরা নিজেদের বাড়িতে ফিরে এসেছিলেন। মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে, নানারকম অসুবিধার মোকাবিলা করে তাঁরা নিজেদের গ্রামের বাড়িতে ফিরেছিলেন। কিন্তু সেখানেও জুটছে না কাজ। এবার রায়গঞ্জের কিছু শ্রমিক ফের কাজ করার জন্য রওনা দিলেন দিল্লি।

রায়গঞ্জে কাজ না পেয়ে, কাজের খোঁজে আবার  দিল্লি পাড়ি দিচ্ছেন রায়গঞ্জের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। পঞ্চায়েত প্রধানে দাবি যারা গ্রাম ছেড়ে ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন তারা পঞ্চায়েতের কাছে কাজের জন্য আবেদন করেননি।কাজের জন্য আবেদন করলেই তাকে কাজ দেওয়া হচ্ছে।লকডাউনের জেরে কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে তাঁদের নিজের নিজের এলাকায় ফেরানো তো হয়েছে। তার মধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে সমস্ত পরিযায়ি  শ্রমিক নিজের গ্রামে পৌছেছেন তাদের জাতীয় কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্পে যুক্ত করা হবে। এছাড়াও পঞ্চায়েত স্তরে শ্রমিকদের তালিকা তৈরি করে যোগ্যতা অনুযায়ী সরকার তাদের কাজে যুক্ত করবেন।সরকারের এই আশ্বাসেও ভিন রাজ্য থেকে শ্রমিকরা ভরসা করতে পারলেন না।

আনলক ওয়ান চালু হতেই রায়গঞ্জ ব্লকের মারাইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকজন বাসিন্দা কাজের জন্য পরিবার নিয়ে দিল্লির উদ্দেশ্যে আজ রওনা হলেন।রায়গঞ্জের শ্রমিকদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মালদা জেলার সামসি এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। তাদের বাড়ি মাড়াইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কসবা মোড় এলাকায়।গাড়িতে ওঠার আগে রায়গঞ্জের বাসিন্দা শঙ্কর মন্ডল জানালেন কাজের জন্য তাদের দিল্লিতে ফিরে যেতে হচ্ছে। সেখানে রাজমিস্ত্রীর সঙ্গে লেবারের কাজ করে ভাল আয় করেন। এখানে তাদের কোন কাজ জোটে নি। একই দাবি করেছেন আরমান আলি নামে এক শ্রমিক।লকডাউনের আগে তারা বাড়িতে এসেও কোন কাজ পাননি।কাজ না করলে তাদের সংসার চলবে না।পেটের জন্যই তারা দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হলেন।ছেলে বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে তাই মন খারাপ শঙ্করের মা দীনু মন্ডলের।কিন্তু সংসার চালাতে গেলে ছেলেদের অন্য রাজ্যে যেতেই হচ্ছে।তবে শ্রমিকদের দাবি মানতে চাননি রায়গঞ্জ ব্লকের মাড়াইকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কমল দেবশর্মা।তিনি জানান,পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের প্রকল্পের প্রচুর কাজ। আবেদন করলেই তাকে কাজে যুক্ত করা হচ্ছে।যে বাসিন্দারা গ্রাম ছেড়ে ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন তাদের পরিবারের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করবেন।

UTTAM PAUL 

Published by:Piya Banerjee
First published: