• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • দুর্গতদের পাশে শহরের দুই সংগঠন! হাঁটু জল পেরিয়ে বাসিন্দাদের ঘরে পৌঁছে দিলেন খাবার

দুর্গতদের পাশে শহরের দুই সংগঠন! হাঁটু জল পেরিয়ে বাসিন্দাদের ঘরে পৌঁছে দিলেন খাবার

ফের উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।  স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ।

ফের উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ।

ফের উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: তীব্র জল যন্ত্রণা! টানা ২ দিন ধরে লড়াই একদিকে মারণ করোনার সঙ্গে। অন্যদিকে জলের সঙ্গেও। এই মুহূর্তে শিলিগুড়ির নীচু এলাকার বাসিন্দারা লড়াই চালাচ্ছেন করোনা আর ভারী বৃষ্টির সঙ্গে। চরম দুর্ভোগে পুর এলাকা থেকে সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকা। বহু বাড়িতেই আজ চড়েনি ভাতের হাঁড়ি। রবিবাসিরীয় যেখানে পাতে থাকার কথা মাংস-ভাত, সেখানে জুটছে না আলু সেদ্ধ, ভাতও।

বাড়ি থেকে বেরোবার পথ নেই। কোথাও কোথাও কোমর সমান জল। তা ডিঙিয়ে বাজারে পৌঁছনো অসম্ভব। আবার অনেকেরই রান্না ঘর জলের তলায়। ভিজে গিয়েছে চালের বস্তা। জলের স্রোতে ভেসে গিয়েছে সবজি। ঘোর সংকটে পুরসভার অশোকনগর থেকে ডাবগ্রামের মাঝাবাড়ি, তেলিপাড়া এলাকা। কি খাবেন? শিশুদের মুখেই বা কি খাবার তুলে দেবেন? জল যন্ত্রনার মাঝে এই দুই প্রশ্নও তাড়া করছে  এলাকার বাসিন্দাদের।

এদিকে ফের উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।  স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে উদ্বেগ। এই জল যন্ত্রণায় থাকা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে  শিলিগুড়ির দুই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। লকডাউনের সময়েও এই দুই সংগঠনের সদস্যরা মানবিক হয়ে উঠেছিলেন। টানা আড়াই মাস পথ শিশু, ভবঘুরে থেকে বিপিএল আওতাভুক্তদের কাছে হাজির হয়েছিলেন খাবার এবং রেশন সামগ্রী নিয়ে।  আজ আবার মানুষের বিপদে ওরাই দাঁড়ালেন পাশে। দুই সংগঠনের একটি  'তারুণ্য'। অপরটি 'শিলিগুড়ি ইউনিক সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি'।

সাধারণ মানুষের জল সমস্যা দেখে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনের সদস্যরা। তারুণ্যের সদস্যরা পৌঁছে যান ৩১ নং ওয়ার্ডের অশোকনগরে। হাঁটু জল পেরিয়ে পৌঁছে যান দুর্গতদের পাশে। তুলে দেন খাবার। সংগঠনের সদস্য রনি রাহা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমরা সাধ্যমতো পাশে থাকব।

অন্যদিকে, ডাবগ্রামের মাঝাবাড়ি, তেলিপাড়ায় শুকনো খাবারের প্যাকেট নিয়ে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যান ইউনিকের সদস্যরা। সংগঠনের সদস্য রাকেশ দত্ত জানান, চরম দুর্ভোগে বাসিন্দারা। পাশে থাকার চেষ্টা করছি মাত্র।

Partha Sarkar

Published by:Shubhagata Dey
First published: