Home /News /north-bengal /
Siliguri: মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার শিলিগুড়ির শিক্ষক

Siliguri: মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার শিলিগুড়ির শিক্ষক

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রধাননগর থানার পুলিশ

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার শিলিগুড়ি বয়েজ হাই স্কুলের শিক্ষক। ধৃতের নাম প্রবীর বর্মন। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রধাননগর থানার পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি-সহ সম্পত্তি লুঠের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন অভিযোগকারিনী মহিলা।

মহিলার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিলিগুড়ির রবীন্দ্রনগরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত ছিল শিক্ষক প্রবীর বর্মনের। শ্বশুরের মৃত্যুর পর তাঁর শ্বশুরের সম্পত্তি লুঠের চেষ্টা ছিল। অভিযুক্তের সঙ্গে জড়িত মহিলার স্বামী, শ্বাশুড়ি-সহ পরিবারের আরও কয়েকজন। ঘটনায় প্রধাননগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা। পরবর্তীতে সেই অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন ওই শিক্ষক বলে অভিযোগ। চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজারের সামনে ওই মহিলাকে প্রবীর বর্মন শারীরিকভাবে হেনস্থা করে বলেও অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন: সরকারি জমিতে অবৈধ লোহার সেতু, বেআইনি জমি কারাবার, গুঁড়িয়ে ফেলা হল সেতু

ওই ঘটনার পর ৯ ফেব্রুয়ারি প্রধাননগর থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেন নির্জাতিতা মহিলার। তারপর থেকেই ওই শিক্ষক পলাতক ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অবশেষে বুধবার রবীন্দ্রনগর এলাকায় নিজের বাড়ি থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে আজ, বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হয়। যদিও যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি পালটা দাবি করেন, গত চার বছর ধরে অভিযোগকারিনী মহিলা-সহ পরিবারের সঙ্গে তার কোনও যোগাযোগ নেই।

আরও পড়ুন: বাড়িতে ঢুকে হিপনোটাইজ, বাসন পরিস্কারের নামে লক্ষাধিক টাকার সোনা নিয়ে চম্পট

অন্যদিকে, বাসন পরিস্কার করার নাম করে লক্ষাধিক টাকার সোনা চুরি করে পালাল দুস্কৃতীর দল। ঘটনাটি ঘটেছে নকশালবাড়ির বড় মনিরাম জো-তে। তামার বাসন পরিস্কার করতে করতে হাতে পাথর রেখে হিপনোটাইজ করে সোনা নিয়ে চম্পট দেয় দুস্কৃতীরা। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়, নকশালবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রতারিত দিব‍্যা শর্মা জানান, '' বাড়িতে ঢুকে বাসন পরিস্কার করার কথা বলে কয়েকজন লোক। আমি রাজি হই! এরপর, হাতে একটা পাথর দিয়ে বলে বাড়িতে যা সোনা আছে নিয়ে আসতে, তখন অলরেডি আমি ঘোরে চলে গিয়েছি! আর কিছু বুঝতে পারিনি। সোনার আংটি, গলার চেন ও লকেট নিয়ে চম্পট দেয় দুস্কৃতীরা।'' গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে নকশালবাড়ি থানার পুলিশ।

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

পরবর্তী খবর