corona virus btn
corona virus btn
Loading

ফুঁসছে নদী, আটকে পড়ল হাতির পাল, ১২ দিনের শাবককে শুঁড়ে পেঁচিয়ে রক্ষা করল মা হাতি

ফুঁসছে নদী, আটকে পড়ল হাতির পাল, ১২ দিনের শাবককে শুঁড়ে পেঁচিয়ে রক্ষা করল মা হাতি
  • Share this:

#চামড়াগুদাম: চারপাশে ফুঁসছে নদী। মাঝে চরে আটকে বারোদিনের শাবক-সহ ছ'টি হাতির দল। ধূপগুড়ির সোনাখালির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে ডুডুয়া নদী পেরোতে গিয়েই আটকে পড়ে হাতির দল। পরে বৃষ্টি কমায় নদীর জলস্তর নেমে যায়। বারো ঘণ্টার বেশি সময় পর জঙ্গলের দিকে যাওয়ার রাস্তা পায় হাতির দল।

নদী পেরোতে গিয়ে বিপত্তি। শাবক-সহ হাতির দল আটকে গেল নদীর মধ্যেই। জল পেরোতে গেলেই যে ভেসে যাওয়ার ভয়...

ভুটান পাহাড় ও ডুয়ার্সে একটানা ভারী বৃষ্টি চলছেই। জল বেড়েছে কুমলাই, গিলান্ডি, বামনি, জলঢাকা, ডুডুয়া-সহ একাধিক নদীতে। আর তাতেই বিপন্ন বন্যপ্রাণ।

শনিবার রাতে ধূপগুড়ির সোনাখালির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে ডুডুয়া নদী পার হয়ে চামড়াগুদাম গ্রামে ঢোকে ছ'টি হাতির দল। দলে এক বারোদিনের শাবকও। গ্রাম থেকে খাবার খেয়ে ফেরার সময়ই অঘটন। জল বাড়ায় তখন ডুডুয়া নদী ফুঁসছে। হাতিদের চিৎকারে গ্রামবাসীরা জড়ো হন। তাঁরা দেখতে পান, পার হতে গিয়ে ভেসে যাচ্ছে বারো দিনের হস্তিশাবক। অন্য হাতিরা শুঁড় দিয়ে জড়িয়ে হস্তিশাবককে বাঁচায়। এরপরেই নদীর মাঝের চরে আশ্রয় নেয় হাতির দল।

ভয় পেয়ে যাওয়ায় হাতির দল নদীর চরেই আটকে থাকে। সোনাখালি বিটের বনকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। এরপর খবর দেওয়া হয় বিন্নাগুড়ি স্কোয়াডে। তখনই বনকর্মীরা পৌঁছন। হাতির দল যাতে গ্রামে না ঢুকে যায়, সেই আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা আবার গুলতি নিয়ে হাজির হন।

পরে বৃষ্টি কমে যাওয়ায় ডুডুয়ার জলস্তর নামতে থাকে। বনকর্মী, এসএসবি ও পুলিশ গ্রামবাসীদের সরিয়ে দেয়। বারো ঘণ্টার বেশি সময় পর সোনাখালির জঙ্গলে ফিরে যাওয়ার রাস্তা পায় হাতির দল। শুঁড়ে করে শাবক হাতিকে নিয়ে নদী পার হয় হাতিরা।

First published: July 15, 2019, 2:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर