Home /News /north-bengal /
Siliguri: ডাম্পিং গ্রাউণ্ড অন্যত্র সরানোর দাবিতে অটল শিলিগুড়ি

Siliguri: ডাম্পিং গ্রাউণ্ড অন্যত্র সরানোর দাবিতে অটল শিলিগুড়ি

মাঝেমধ্যেই আগুন জ্বলে। বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। মিথেন গ্যাস থেকে নাকি কেউ আগুন ধরিয়ে দেয়, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। অনেক আন্দোলন, বিক্ষোভ হয়েছে এই ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: যে শহরের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্পর্কে একটা সময়ে জানতে চেয়েছিল একাধিক দেশের বড় শহর। স্যুইৎজারল্যাণ্ডের জুরিখ থেজে জার্মানির ফ্রেইবার্গ, ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি... আর সেই শহরের ডাম্পিং গ্রাউণ্ড এখন অন্যতম সমস্যা। পুরসভা নির্বাচনেরও অন্যতম ইস্যু। পুরসভার ৪৭টি ওয়ার্ডের প্রতিদিনের নোংরা, আবর্জনা ফেলা হয় ডাম্পিং গ্রাউণ্ডে। বহু বছর ধরে পুরসভার ৪২ নং ওয়ার্ডের এই ডাম্পিং গ্রাউণ্ডেই ফেলা হয় আবর্জনা। তখন জনবসতি এমন ছিল না। ক্রমেই এর চারপাশে গড়ে উঠেছে জনবসতি। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। মাছি, মশার দাপট। বর্ষায় দূর্গন্ধে কার্যত অন্নপ্রাশনের ভাত ওঠার জিগির। বাড়ছে নানান রোগ। স্বাসকষ্ট থেকে ত্বকের সমস্যায় জেরবার স্থানীয়রা। অতিষ্ঠ স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে অন্যত্র সরাতে হবে এই ডাম্পিং গ্রাউণ্ড।

আরও পড়ুন: কলেজ পড়ুয়ার অপহরণ! গ্রেফতার হলেন যারা, অবাক হয়ে যাচ্ছে গোটা শিলিগুড়ি

মাঝেমধ্যেই আগুন জ্বলে। বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। মিথেন গ্যাস থেকে নাকি কেউ আগুন ধরিয়ে দেয়, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। অনেক আন্দোলন, বিক্ষোভ হয়েছে এই ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে। পুরসভার জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। ২০১৯ সালে দিনভর অবস্থান, বিক্ষোভও করে তৃণমূল। কিন্তু সরানো হয়নি ডাম্পিং গ্রাউণ্ডের ঠিকানা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের উদ্যোগে দেওয়াল দেওয়া হয়। পথবাতি, সিসি টিভির ব্যবস্থাও করা হয়। কিন্তু মূল দাবি মেটেনি স্থানীয়দের। বছর দুয়েক আগে স্যুইৎজারল্যাণ্ডের একটি এনজিও অর্গানিক সার তৈরির প্রকল্প নেয়। মেয়র তখন অশোক ভট্টাচার্য। কিন্তু বাস্তবায়িত হয়নি।

আরও পড়ুন: মনুয়া কাণ্ডের ছায়া! প্রেমিককে নিয়ে স্বামীকে খুন মালদহে

পরবর্তীতে কেএমডিএ-র উদ্যোগে বায়ো মাইনিং প্রকল্প শুরু হয়েছে। এজন্যে ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য। তিন পর্যায়ে কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় নোংরা, আবর্জনা থেকে মাটি, প্লাস্টিক, কাপড় এবং ছোটো-বড় পাথর পৃথকীকরণ করা হচ্ছে। এই মাটি সারের উপযোগি। প্লাস্টিক আর কাপড় চলে যায় সিমেন্ট তৈরির কারখানায়। তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের দাবি, আগামী দিনে আর ডাম্পিং গ্রাউণ্ড বলে কিছু থাকবে না। গ্রিন ফিল্ড তৈরি করা হবে। আগামিদিনে সেখানে গোলাপ ফুলের বাগান তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের দাবি, তাঁর আমলেই কেন্দ্রের স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু গত ৭-৮ মাসে প্রশাসনিক বোর্ড কী করেছে, জানা নেই। এর স্থায়ী সমাধান অত্যন্ত জরুরি। বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষের দাবি, এর স্থায়ী সমাধান চাই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে একে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Siliguri

পরবর্তী খবর