Home /News /north-bengal /
Siliguri Molestation: শ্লীলতাহানি-সহ একাধিক অভিযোগ! শিলিগুড়িতে গ্রেফতার বাংলার শিক্ষক! কী দাবি আদালতে?

Siliguri Molestation: শ্লীলতাহানি-সহ একাধিক অভিযোগ! শিলিগুড়িতে গ্রেফতার বাংলার শিক্ষক! কী দাবি আদালতে?

গুরুতর অভিযোগে শিলিগুড়িতে গ্রেফতার শিক্ষক প্রতীকী ছবি

গুরুতর অভিযোগে শিলিগুড়িতে গ্রেফতার শিক্ষক প্রতীকী ছবি

Siliguri Molestation: অভিযুক্ত শিক্ষকের ৭ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ আদালতের!

  • Share this:

#শিলিগুড়ি : এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার শিলিগুড়ি বয়েজ হাই স্কুলের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। ধৃতের নাম প্রবীর বর্মন। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রধাননগর থানার পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি সহ সম্পত্তি লুটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন অভিযোগকারিনী মহিলা।

অভিযুক্ত শিক্ষক প্রবীর বর্মন অভিযুক্ত শিক্ষক প্রবীর বর্মন

মহিলার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিলিগুড়ির রবীন্দ্রনগরে তাঁর শ্বশুর বাড়িতে যাতায়াত ছিল শিক্ষক প্রবীর বর্মনের। শ্বশুরের মৃত্যুর পর তাঁর শ্বশুরের যাবতীয় সম্পত্তি লুটের চেষ্টা ছিল। এমনকী ফ্ল্যাটও বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। আর এতে ওই মহিলার স্বামী, শাশুড়ি-সহ পরিবারেরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে ওই মহিলা অভিযোগ করেন। এনিয়ে প্রধান নগর থানায় গত বছরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ওই মহিলা। পরবর্তীতে সেই অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন ওই শিক্ষক, বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন : "রোগী ICU-তে...স্যালইন নিচ্ছে না", সকাল সকাল ইকোপার্কে কার স্বাস্থ্যের খোঁজ দিলেন দিলীপ ঘোষ?

আরও পড়ুন : শিয়ালদহ মেট্রোর উদ্বোধনে মোদি? খোঁজ নিচ্ছে পিএমও! কবে থেকে চালু যাত্রী পরিষেবা?

চলতি বছরের ৭ই ফেব্রুয়ারি শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত একটি বাজারের সামনে ওই মহিলাকে প্রবীর বর্মন শারীরিকভাবে হেনস্থা করে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকী ওই শিক্ষক আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে এবং তাঁর বোনকে রাস্তায় হেনস্থা করে। হাত ধরে টানাটানিও করে। পরে চাকু দেখিয়ে ভয়ও দেখায়। কোনওক্রমে ওইদিন পালাতে সক্ষম হন তিনি বলে জানান ওই মহিলা।

অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযুক্ত শিক্ষক

এই ঘটনার পর ৯ ই ফেব্রুয়ারি প্রধাননগর থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেন নিগৃহীতা মহিলা। তারপর থেকেই ওই শিক্ষক পলাতক ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অবশেষে বুধবার রবীন্দ্রনগর এলাকায় তাঁর বাড়ি থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতকে আজ শিলিগুড়ি আদালতে তোলা হয়। আদালত অভিযুক্তকে ৭ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে আদালতে ওই শিক্ষক পাল্টা দাবি করেন, "গত চার বছর ধরে ওই মহিলা-সহ তাঁদের পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। আর আমার হাতে যদি চাকু থাকে তাহলে শিক্ষক হলাম কেন?"

Published by:Sanjukta Sarkar
First published:

Tags: Siliguri

পরবর্তী খবর