corona virus btn
corona virus btn
Loading

আগামিকাল দিল্লি ফিরতে পারে শিলিগুড়ির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল     

আগামিকাল দিল্লি ফিরতে পারে শিলিগুড়ির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল     

সমতলের চেয়ে পাহাড় সচেতন, উল্লেখ কেন্দ্রীয় দলের

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: আগামিকাল দিল্লি ফিরে যেতে পারেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। ২০ তারিখ রাজ্যে আসে দুটি দল। একটি দল শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি দায়িত্বে। অন্যদলটি কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগণা, হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্বে ছিলেন। উত্তরে থাকা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল সূত্রে খবর, আপাতত তাদের কাজ শেষ। শুরু হয়েছে রিপোর্ট লেখার কাজ৷ শুক্রবার তারা রিপোর্ট জমা দিতে পারেন। রিপোর্টে সমতল এলাকায় লকডাউন না মানার বিষয় যেমন উল্লেখ থাকতে পারে, তেমনই পাহাড়ের লকডাউন মানার বিষয়ে উল্লেখ করা হবে বলে সূত্রের খবর। শিলিগুড়ি,জলপাইগুড়ি এলাকায় বাজার এলাকার অব্যবস্থা, একাধিক এলাকায় সামাজিক দুরত্ব বজায় না রাখা এমনকি মাস্ক না পড়ার বিষয় তাদের নজরে এসেছে। এছাড়া চা বাগান নিয়ে বেশ কিছু বিষয় রিপোর্টে উল্লেখ করা হচ্ছে বলে প্রতিনিধি দল সূত্রে খবর৷

সমতলের চেয়ে পাহাড় অনেক বেশি সচেতন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছেন পাহাড়ের মানুষ। এমনকি মাস্ক পড়া বা স্যানিটাইজার নিয়ে তারা শিলিগুড়ি বা জলপাইগুড়ির চেয়ে অনেক বেশি সাবধানী বলে মনে করছেন করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতি দেখতে আসা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

গত ২৩ তারিখ থেকে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও দার্জিলিং জেলার একাধিক জায়গায় বাজার, রাস্তা, হাসপাতাল, কোয়ারেনটাইন সেন্টার সহ একাধিক জায়গা পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বারবারই তারা অভিযোগ করেছেন, মাস্ক পড়ছেন না অনেকে। এমনকি সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছেন না। এই পরিস্থিতির মাঝেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা মনে করছেন পাহাড় থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত সমতলের। দার্জিলিং ও কালিম্পং এই দুই হিল স্টেশনেই প্রতিনিধি দলের নজরে এসেছে, রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা হচ্ছে। পুলিশ সচেতন করতে মাইকিং করছে। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান বিনীত যোশী বলেন, "এটা ঠিক আমরা যতটা নিয়ম ভাঙার মতো অবস্থা সমতলে দেখেছি। পাহাড়ে ঠিক তার উল্টো ছবি দেখছি। আমরা আশা করি, কেন্দ্রীয় দল এসেছে বলে এই ব্যবস্থা নয়। এই সুরক্ষা ব্যবস্থা চলে আসছে।" তবে পাহাড়ের বাজারের সবজির দোকানে একই মাপের ও পরিমাণের স্যানিটাইজারের বোতল দেখে বেশ আশ্চর্য হয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। অন্যদিকে পাহাড়ের বাজারগুলিতে ক্রেতাদের প্রবেশের আগে যেভাবে স্যানিটাইজ করে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে সেটাও ভালো লেগেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের। রাজ্যের এই দুই হিল স্টেশন দেখে মনে করছেন লকডাউন উঠে গেলেও এখানের মানুষ সচেতন থাকার সুবিধা পাবেন।

ABIR GHOSHAL
First published: April 29, 2020, 3:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर