Shootout! প্রেমের প্রতিবাদ, তাই কি প্রকাশ্যে যুবক খুন? উপযুক্ত তদন্তের দাবি

maldah shootout

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, পাশের পাড়ার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল অভিযুক্ত কার্তিক রবিদাসের। তারই প্রতিবাদ করে ছিল চাঁদ সিং।

  • Share this:

#মালদহ: মালদহ জেলার হরিশচন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত করিয়ালি বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে শুট আউট। বেশি রাতে শুট আউটের ঘটনায় মৃত্যু এক যুবকের। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য এলাকায়। অভিযুক্তদের দুইজনকে আটক করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। খুনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  মঙ্গলবার রাত দশটা নাগাদ হরিশ্চন্দ্রপুর থানার করিয়ালি বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় এক যুবকের। মৃত যুবকের নাম চাঁদ সিং (২২)। বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর করিয়ালি বাজার এলাকায়। গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে কার্তিক রবিদাস নামে গ্রামেরই এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কার্তিক রবিদাস সহ আরও এক যুবককে সামসি এলাকা থেকে আটক করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত করছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, পাশের পাড়ার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল অভিযুক্ত কার্তিক রবিদাসের। তারই প্রতিবাদ করে ছিল চাঁদ সিং। এনিয়ে আগেও দুইজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এদিকে অভিযুক্ত কার্তিক রবিদাসের বিরুদ্ধে আগেও অপরাধমূলক কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার পর সকালে অভিযুক্তর বাড়ি ভাঙচুর চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা। মৃতের পরিবার সহ স্থানীয়রা অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন।  খোদ বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে এরকম গুলি চালানোর ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। করিয়ালি বাজার এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি ছিল। সেটি বেশ কয়েক বছর বছর আগে বন্ধ হয়ে যায়। সেই ফাঁড়ি খোলার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মৃত যুবকের মা শিবানী সিংহ বলেন, ছেলের সঙ্গে কারও কোনও বিবাদ ছিল বলে জানি না। এলাকার সকলে ভাল ছেলে হিসেবে জানে। এভাবে খুন হয়ে যাবে তা ভাবতে পারছি না। আমরা চাই পুলিশ উপযুক্ত তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করুক।মৃত যুবকের বৌদি চায়না রবিদাস জানান, আগেও অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকেছে অভিযুক্ত কার্তিক। তাঁরাও চান পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক।স্থানীয় বাসিন্দা বদ্রিপ্রসাদ গুপ্ত বলেন, গুলি করে খুনের ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। অবিলম্বে বন্ধ পুলিশ ফাঁড়ি ফের চালুর উদ্যোগ নেওয়া হোক।

Published by:Pooja Basu
First published: