• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • শীতে আর রাস্তায় বসে কাঁপতে হবে না, দুঃস্থ মানুষদের নতুন ঘর ‘আশ্রয়’

শীতে আর রাস্তায় বসে কাঁপতে হবে না, দুঃস্থ মানুষদের নতুন ঘর ‘আশ্রয়’

Photo-News 18 Bangla

Photo-News 18 Bangla

ইসলামপুরে ভবঘুরে আশ্রয়হীনদের জন্য আবাসস্থলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল৷

  • Share this:

#ইসলামপুর:  নতুন বছরের কয়েকদিন আগে ইসলামপুরের অসহায় মানুষদের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা করল ইসলামপুর পৌরসভা। পৌরসভার এই উদ্যোগে খুশি অসহায় মানুষেরা।

পরিবার থেকে বিতারিত হয়ে অসংখ্য মানুষ রাস্তার ধারে,ষ্টেশনে কিংবা দোকানদের সামনে কোনক্রমে দিন কাটান। শীত, গ্রষ্ম, বর্ষা অসহায় মানুষেরা কোনক্রমে দিন কাটান। ইসলামপুর পৌরসভা এই সমস্ত ভবঘুরেদের জন্য আশ্রয়স্থল তৈরী করার পরিকল্পনা নেন। ইসলামপুর পৌরসভার একনম্বর ওয়ার্ড দুর্গানগর এলাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে  এই আশ্র‍য়স্থল তৈরী করলেন। এই আশ্রয়স্থলে ৫০ টি বেড রাখা হয়েছে।

সেই আশ্রয়স্থলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল। উদ্বোধন করলেন ইসলামপুর পৌর প্রশাসক কানাইয়ালাল আগরওয়াল। উদ্বোধনের কানাইয়ালাল জানান, ইসলামপুর ভবঘুরেদের জন্য এই আশ্রয়স্থল তৈরী করা হয়েছে। ৫০ বেডের এই আশ্রয়স্থল তৈরী করা হলেও আপাতত ১০ বেড চালু করে এই আশ্রয়স্থল চালু হল। আশ্রয়স্থলে দ্বিতীয়,তৃতীয় তলে যেতে সিড়ি ব্যবস্থা থাকলেও লিফটের ব্যবস্থা করা হয় নি। বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধারা সিড়ি বেয়ে তাদের উপরে ওঠতে বেশ সমস্যায় পড়বেন।  সেই কারনে ইঞ্জিনিয়ারিং এর সংস্থাকে লিফটের ব্যবস্থা করা জন্য আবেদন করা হয়েছে। এই ঠান্ডায় বৃদ্ধ, বৃদ্ধারা যাতে সমস্যায় না পড়েন তারজন্য গিজারের ব্যবস্থা রাখার জন্য বলা হয়েছে। মহিলাদের জন্য দুটি আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবঘুরে এই আশ্রয়স্থলে থাকলে সমস্ত ধরনের সুযোগ সুবিধা পাবেন বলে পৌরসভার প্রশাসক কানাইয়ালাল আগরওয়াল জানিয়েছেন।

দুর্গানগরের বাসিন্দা চন্দনা মন্ডল জানান, ভবঘুরেদের এই আশ্রয়স্থল হওয়ায় খুব ভাল হল। শীত,গ্রষ্ম,বর্ষায় ভবঘুরেদের চরম সমস্যায় পড়তে হয়। এই আশ্রয়স্থলে দুঃস্থ অসহায় মানুষেরা এলে তাদের কষ্ট অনেক দূর হবে। বিহারের বাসিন্দা রাম চন্দন ইসলামপুর বাস স্ট্যান্ডে থেকে ভিক্ষাবৃত্তি করে কোনক্রমে দিন গুজরান করে।দীর্ঘ তিনমাস ধরে এই বাস স্ট্যান্ডেথাকছিলেন। আজ এই আশ্র‍য়স্থলের দ্বারোদঘাটনের সঙ্গে সঙ্গে ভবঘুরে রাম চন্দনকে সেখানে আনা হয়। ঝা চকেচকে ঘরে আসার পর রাম চন্দন জানান, তিনি মৃত্যুকাল পর্যন্ত এখানেই থাকবেন।

Uttam Paul

Published by:Debalina Datta
First published: