লকডাউনের ফতোয়া উড়িয়ে এক শ্রেণীর মানুষ শিলিগুড়ির রাস্তায়! উঠছে প্রশ্ন

লকডাউনের ফতোয়া উড়িয়ে এক শ্রেণীর মানুষ শিলিগুড়ির রাস্তায়! উঠছে প্রশ্ন

কিসের লকডাউন, কবে বুঝবে সকলে

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: লকডাউন! সরকার ফতোয়া উড়িয়ে দিয়ে সকাল হতেই লোকজনের আনাগোনা। পথে নামলো টোটো, রিকশ, ছোটো চার চাকার গাড়িও। হ্যাঁ। শিলিগুড়ির কথাই বলছি। সে হিলকার্ট রোড হোক বা সেবক রোড। সর্বত্রই একই ছবি। আর পাড়ার অলি গলিতে উঁকি মারতেই ধরা পড়ল সেই একই ছবি। আর কবে সতর্ক হবে সাধারণ মানুষ? এই প্রশ্ন ঘর বন্দীদের। টিভির পর্দা হোক কিংবা অনলাইন মিডিয়ায় হোক। সচেতনতা প্রচার চলছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বার বার একই বার্তা দিয়ে চলেছেন। "ঘরে থাকুন। সতর্ক থাকুন।"

কেননা মারণ করোনা মোকাবিলায় একমাত্র পথ মানুষে মানুষে মেলামেশা বন্ধ করা। আর তাই রাজ্যজুড়ে লকডাউনের ডাক। কিন্তু এক শ্রেণীর মানুষ সেই ফতোয়া উড়িয়ে দিব্বি শহরের রাজপথ থেকে পাড়ায় পাড়ায়! পুলিশ, র‍্যাফ রাস্তায় নেমেছে। সতর্ক করছে। হালকা লাঠি চালাচ্ছে। কখোনো লাঠি উঁচিয়ে দৌড়চ্ছে। কিন্তু বুঝবে কে? আর কবেই বা বুঝবে সাধারণ মানুষের একটা অংশ? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসমি চক, মহাত্মা গান্ধী মোড় সর্বত্রই বাইক, চার চাকার গাড়ি নিয়ে হুড়োহুড়ি। এটা বুঝছে না যে হরতাল বা বনধ নয়। এটা লকডাউন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেখানে মারণ করোনাকে মহামারি বলছে, তারপরও কেন রাস্তায়? কেন? অত্যাবশকীয় পণ্য সামগ্রী এর আওতায় নেই। তারপরও নানা আছিলায় বাইরে বেড়িয়ে পড়া। পুলিশ প্রত্যেকের কাছ থেকে নির্দিষ্ট কারণ জানতে চাইছে। ফিরিয়ে দিচ্ছে।

তবু যেন এক শ্রেণীর মানুষ অবিবেচকের মতো রাস্তায়! চূড়ান্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। সামনে আরো তিন দিন। লাফিয়ে লাফিয়ে দেশে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পাঁচশো ছাড়িয়ে গিয়েছে। এরপরও নিজেদের স্বার্থে, সমাজের স্বার্থে কেন গৃহ বন্দী নয়? যেখানে একটা বড় অংশ নিজেদের আটকে রেখেছে নিজের বাড়ির চৌহদ্দির মধ্যে। সেখানে এরা কারা? যারা সরকারী নির্দেশিকা না মেনে পথে নামছেন?

Partha Sarkar

First published: March 24, 2020, 4:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर