corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা প্রভাব সেবক-রংপো রেললাইন সম্প্রসারণে! লকডাউনের বাধা কাটিয়ে ফের কাজ শুরু

করোনা প্রভাব সেবক-রংপো রেললাইন সম্প্রসারণে! লকডাউনের বাধা কাটিয়ে ফের কাজ শুরু

২০০৮-০৯ সালে প্রকল্পটি হাতে নেয় ভারতীয় রেল। সেইসময় রেলমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। ২০০৯ সালে প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: করোনার প্রভাব গিয়ে পড়েছে রেল লাইন সম্প্রসারনের কাজেও! গতি কমেছে সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের কাজে। মার্চ থেকে অগাস্ট  পর্যন্ত একে করোনা এবং তার মোকাবিলায় লকডাউনের জেরে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে এই প্রকল্পের কাজ। লকডাউনের জেরে দেখা দেয় শ্রমিক সমস্যা। বাইরে থেকেও দক্ষ শ্রমিক আনার ক্ষেত্রে সমস্যার তৈরী হয়েছে। ধীরে ধীরে সেই জট কাটিয়ে এগোচ্ছে প্রকল্পের কাজ। সিকিমের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত রেলপথের যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। সড়ক এবং আকাশ পথে যোগাযোগ রয়েছে।

এবারে রেললাইন জুড়লে গতি আসবে যোগাযোগ ব্যবস্থায়। ২০০৮-০৯ সালে প্রকল্পটি হাতে নেয় ভারতীয় রেল। সেইসময় রেলমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। ২০০৯ সালে প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী। তারপর কাজ শুরু হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। কেন না মহানন্দা অভয়ারণ্যের ভেতর দিয়ে যাবে রেল লাইন। সবুজ ধ্বংস করা যাবে না। বিভিন্ন পরিবেশপ্রেমী সংগঠন বাধা দেয় চলে আন্দোলন। অবশেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে শুরু হয় প্রকল্পটি।

সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত ৪৪.৯৬ কিলোমিটার রেল লাইন পাতার কাজ শুরু হয়। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ৪১.৫৫ কিলোমিটার ভূখণ্ড। আর সিকিমের অংশে রয়েছে ৩.৪১ কিলোমিটার। প্রথম ধাপের এই রেল লাইন তৈরীতে থাকবে ১৪টি সুরঙ্গ আর পাঁচটি স্টেশন। সঙ্গে থাকবে তিস্তা নদীর ওপর ১৩টি রেল সেতু।

সেবক থেকে ছেড়ে প্রথম স্টপেজ রিয়াং। তারপর তিস্তাবাজার এবং মল্লি স্টেশন। শেষ স্টপেজ সিকিমের রংপো। তার জন্যে রেলের বাজেট বরাদ্দ হয়েছিল ৮,৯০০ কোটি টাকা। গত মাস পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৩৩৫.৫২ কোটি টাকা। সময় বেশী লাগায় ২০১৯-২০ আর্থিক বর্ষে নতুন করে ৬০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। যেহেতু এলাকাটি ধস প্রবণ, তাই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে তৈরী করা হচ্ছে এই লাইন। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক চন্দ জানান, এই পাহাড়ি  পথে ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটার গতিতে চলবে ট্রেন। ধীরে ধীরে কাজের অগ্রগতি হচ্ছে। ২০২২-এর মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

Partha Sarkar

Published by: Shubhagata Dey
First published: August 27, 2020, 1:15 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर