রক্তি নদীর ভাঙনে প্রমাদ গুনছে মাটিগাড়া, নদীর গ্রাসে চা বাগান-জমি-বাড়ি

রক্তি নদীর ভাঙনে প্রমাদ গুনছে মাটিগাড়া, নদীর গ্রাসে চা বাগান-জমি-বাড়ি
পরিদর্শনে দার্জিলিঙের জেলাশাসক

বেশ কয়েকটি বাড়িও গ্রাস করেছে রক্তি নদী। চলতি বছরে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে পাহাড় ও সমতলে। আর তার জেরেই নদী ভাঙন। গত মাসে অর্থাৎ অগাস্টে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে শিলিগুড়িতে।

  • Share this:

লাগাতার বৃষ্টিতে নদী ভাঙন শুরু এবার শিলিগুড়িতে। মাটিগাড়ার ফুলবাড়ি, পতন এলাকায় রক্তি নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ নদী সংলগ্ন এলাকা। নদী গর্ভে চলে গিয়েছে এলাকারই বহু একর জমি। এমনকী লাগোয়া চা বাগানের জমিও নদীর তলায়।

বেশ কয়েকটি বাড়িও গ্রাস করেছে রক্তি নদী। চলতি বছরে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে পাহাড় ও সমতলে। আর তার জেরেই নদী ভাঙন। গত মাসে অর্থাৎ অগাস্টে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে শিলিগুড়িতে। গতবারের তুলনায় অনেকটাই বেশি। তার জেরেই ফুলেফেঁপে ওঠে এই পাহাড়ি নদী রক্তি। নদীর ওপর সেতুও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বিপাকে পড়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। মাটিগাড়া ব্লকের পাথরঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

আজ অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এস পুন্নমবালাম। সঙ্গে ছিলেন মহকুমা পরিষদের বিরোধী দলের নেতা, এসজেডিএ-র সদস্য রঞ্জন সরকার। তাঁরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গে কথাও বলেন। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থদের অভাব, অভিযোগ শোনেন। জেলাশাসক জানান, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এবারে বেশি হয়েছে। প্রাথমিক লক্ষ্য নদী ভাঙন রোখা। আর তাই সেচ দফতরের ইঞ্জিনিয়রদের ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে নতুন করে আর কোনও জমি নদী গর্ভে তলিয়ে না যায়। তারপর স্থায়ী সমাধান করা হবে।


বাড়ি, ঘর যা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে। সেতুটিও সংস্কার করা হবে। ডিপিআর তৈরি করা হচ্ছে। তবে সবার আগে ভাঙন রোখাই প্রাথমিক লক্ষ্য। নদীর গতি পরিবর্তনের দিকে নজর দিচ্ছে সেচ দফতরের কর্তারা। নদীর মুখ বদলালে ভাঙন রোখা সম্ভব হবে। অন্যদিকে, স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ বাসিন্দারা আর্থিক সাহায্যের দাবি করেছেন। বিষয়টি আলোচনার স্তরে রেখেছে জেলা প্রশাসন। এর আগেও বছর কয়েক আগে রক্তি নদী গ্রাস করেছে একাধিক গ্রাম। পাহাড়ে অবিরাম বৃষ্টির জেরে শিলিগুড়ির সঙ্গে মিরিকের সংযোগকারী গাড়িধুরার কাছে রক্তি সেতু উড়ে যায়।

PARTHA PRATIM SARKAR

Published by:Arindam Gupta
First published:

লেটেস্ট খবর