Exclusive: অ্যানথ্রাক্স নয়, জলদাপাড়ায় গন্ডারের মৃত্যু অন্য কারণে, তদন্ত চলছে

ফাইল ছবি

জলদাপাড়া অভয়ারণ্য পাঁচ গন্ডারের মৃত্যু অ্যানথ্রাক্সের জন্য হয়নি।

  • Share this:

#জলদাপাড়া: জলদাপাড়া অভয়ারণ্য পাঁচ গন্ডারের মৃত্যু অ্যানথ্রাক্সের জন্য হয়নি। প্রাথমিক ভাবে রাজ্য বনদফতরকে এমনটাই জানিয়েছে বেলগাছিয়া এবং বারেলি পশু চিকিৎসা কেন্দ্র।

বিগত কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের জলদাপাড়া অভয়ারণ্য পরপর পাঁচটি গন্ডারের মৃত্যু হয়। কী কারনে গন্ডারগুলোর মৃত্যু হয়েছে তা বোঝা না গেলেও প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল অ্যানথ্রাক্সের জেরেই মৃত্যু হয়েছে তাদের। কিন্তু মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মৃত গন্ডারগুলোর শরীর থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে তা পাঠানো হয় কলকাতার বেলগাছিয়া এবং উত্তর প্রদেশের বারেলির পশু চিকিৎসা কেন্দ্রে।

চুড়ান্ত রিপোর্ট এখনও না দিলেও ওই দুুুুই পশু চিকিৎসাকেন্দ্রের তরফ থেকে সরকারি ভাবে রাজ্য বনদফতরকে জানানো হয়েছে, ওই পাঁঁচ গন্ডারের মৃত্যু অ্যানথ্রাক্সের কারণে হয়নি। কিন্তু ওই পাঁচটি গন্ডারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কি? তার জন্য  আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে বেলগাছিয়া এবং বারেলি পশু চিকিৎসা কেন্দ্রে। তারপর পেশ করা হবে চূড়ান্ত রিপোর্ট।

স্বাভাবিক ভাবেই এই খবর শোনার পর খুশি বনদফতরের কর্তারা। ২১৬.৫১ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়ানো জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে এখন প্রায় ২৫০টি গন্ডার রয়েছে। যদিও নতুন করে কোনও গন্ডারের বা অন্য কোনও জীব জন্তুর অসুস্থ হয়ে পড়ার খবর নেই। তারপরও নজরদারিতে কোনও রকম শিথিলতা দেখাতে রাজি নয় বনদফতর। নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকায় বাইরে থেকে কোনও জন্তু-জানোয়ার যাতে প্রবেশ করতে না বা ওই এলাকা থেকে বাইরে যেতে না পারে সেই দিকেই বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে সব রকম সাফারি এখন বন্ধ রাখা হয়েছে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। বনদফতরের যেসব হাতি রয়েছে তাদেরও শনি এবং রবিবার বিশেষ টিকা দেওয়া হয়েছে রোগ থেকে মুক্ত রাখতে।

Published by:Shubhagata Dey
First published: