দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় আহত হল লুপ্তপ্রায় জঙ্গল ক্যাট

দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় আহত হল লুপ্তপ্রায় জঙ্গল ক্যাট
প্রতীকী চিত্র ৷
  • Share this:

#ধূপগুড়ি: দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় আহত হল লুপ্তপ্রায় জঙ্গল ক্যাট। ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ি কলেজপাড়া ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে। শনিবার রাতে জাতীয় সড়কের উপর আহত অবস্থায় এই লুপ্তপ্রায় জঙ্গল ক্যাটটিকে দেখতে পান স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা। তাঁরা প্রাণীটিকে আহত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে জাতীয় সড়ক থেকে সরিয়ে রাস্তার পাশে রেখে দেয়।

এর পরেই নির্মল রায় নামে এক যুবক আহত অবস্থায় বিড়ালটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লাব ঘরে রেখে দেয়। খবর দেওয়া হয় বিন্নাগুড়ি বন্যপ্রাণী স্কোয়াডের কর্মীদের। তাঁরা এসে আহত লুপ্ত প্রায় প্রানীটিকে নিয়ে যান। তবে প্রশ্ন হচ্ছে কি করে এই প্রাণীটি লোকালয়ের মধ্যে এল। এরা সাধারণত গভীর জঙ্গল বা বড় জলাশয়ের ধারে বসবাস করে। এরা খুব হিংস্র হয়। ১৭৭৬ সালে প্রথম এদের অস্তিত্বের সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যেই এই প্রাণীটিকে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার নামক আন্তর্জাতিক সংস্থা লাল তালিকাভুক্ত করেছে এবং অতি লুপ্তপ্রায় বলে চিহ্নিত করেছে।

স্বাভাবিকভাবেই আহত অবস্থায় প্রাণীটি উদ্ধার হওয়ায় চিন্তিত বনকর্মীরা এবং পরিবেশপ্রেমী না। এর পছন্দসই শিকারটি হ'ল ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং পাখি। এরা শিকারটিকে ছুঁড়ে মেরে শিকার করে, তার পরে একটি স্প্রিন্ট বা লিপ করে ৷ এদের তীক্ষ্ণ কান শিকারের অবস্থান নির্ধারণে সহায়তা করে।

প্রাণীটিকে উদ্ধারের পর নিয়ে যাওয়া হয় গরুমারা জাতীয় উদ্যানের লাটাগুড়ি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ৷ সেখানেই শুশ্রূষা শুরু হয়েছে প্রাণীটির।

জঙ্গল ক্যট (ফেলিস চাউস) যাকে রিড বিড়াল এবং জলাভূমির বিড়ালও বলা হয় ৷ এটি ঘন গাছপালা-সহ জলাভূমি, লিটারাল এবং রিপারিয়ান অঞ্চলগুলির মতো জলাভূমিগুলিতে বাস করে। এটি আইইউসিএন (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার) লাল তালিকাভুক্ত করেছে । মূলত জলাভূমি ধ্বংস, ফাঁদ এবং বিষ প্রয়োগের ফলে এই প্রাণী আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।

First published: 04:54:30 PM Dec 01, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर