• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • PRODUCTION OF DARJEELING TEA IS FACINNG PROBLEM BECAUSE OF THE CONTINUOUS LOCKDOWN SWD

Darjeeling: টানা ১০৪ দিনের বনধ দিয়ে শুরু, তারপরেই কোভিডের দুই ঢেউয়ের কোপ! সংকটে বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা

দার্জিলিং চায়ের সুনাম গোটা বিশ্বজুড়ে। উৎপাদন মার খাওয়ায় বিদেশে রফতানিও অথৈ জলে পড়ে যায়।

দার্জিলিং চায়ের সুনাম গোটা বিশ্বজুড়ে। উৎপাদন মার খাওয়ায় বিদেশে রফতানিও অথৈ জলে পড়ে যায়।

  • Share this:

#দার্জিলিং: সালটা ২০১৭। পৃথক রাজ্যের দাবিতে উত্তাল পাহাড়। শুরু হল অনির্দিষ্টকালের বনধ। বিমল গুরুংয়ের ডাকে টানা ১০৪ দিন অচল থাকে পাহাড়। একের পরে এক সরকারি সম্পত্তি নষ্ট হয়। স্টেশন থেকে সরকারি বাংলোতে অগ্নিসংযোগ। টানা বনধে বন্ধ হয়ে যায় চা বাগানের দরজাও। তিন মাসের বেশি বনধের জেরে ফার্স্ট ফ্লাশের চা উৎপাদন বাগানেই নষ্ট হয়। ব্যপক ক্ষতির মুখে পড়ে বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা! মার খায় উৎপাদন। সেই শুরু। চার বছর পরও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি উত্তরের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান শিল্প।

দার্জিলিং চায়ের সুনাম গোটা বিশ্বজুড়ে। উৎপাদন মার খাওয়ায় বিদেশে রফতানিও অথৈ জলে পড়ে যায়! কোটি কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ে চা শিল্প। আর এই সুযোগেই বিশ্বের বাজার ধরে নেপাল চা। তুলনায় কম দামে নেপাল চা দ্রুত বাজারে ছেয়ে যায়। যেখানে বিশ্বের বাজার দাপিয়ে বেড়াত দার্জিলিং চা! সেখানে এক আন্দোলনের জেরে নেপাল চা বাজারে জায়গা করে নেয়। অথচ চায়ের গুণগত মান হোক বা সুগন্ধে কয়েকগুন পিছনে নেপাল চা। কিন্তু উৎপাদন মার খাওয়ায় বিশ্বের বাজারে চাহিদা মেটাতে পারেনি দার্জিলিং চা। সেই যে দুশ্চিন্তার শুরু, আজও ব্যাকফুটে দার্জিলিং চা।

ক্রমেই বাড়ছে চা শিল্পের সংকট। এক ধাক্কায় ২০১৬-র উৎপাদনের পরিমাণের চেয়ে অর্ধেকে নেমে যায় ২০১৭-তে। ২০১৮ এবং ২০১৯-এ তুলনায় উৎপাদন বাড়লেও বিশ্বের বাজার ধীরে ধীরে গ্রাস করে নেয় নেপাল চা। কমতে থাকে রফতানির পরিমাণও। অবাধেই নেপাল চা ঢুকে পড়ে ভারতীয় বাজারেও। কেননা সীমান্তে কোনও কর লাগে না। যেখানে ভারতীয় চা নেপালে পাঠালে ৪০ শতাংশ শুল্ক দিতে হয়।

২০২০-তে ফের চা শিল্প ক্ষতির মুখে পড়ে। ফার্স্ট ফ্লাশের চায়ের উৎপাদনের সময়ে কোভিডের জেরে মার খায় উৎপাদন। বন্ধ হয়ে যায় চা বাগান। পরবর্তীতে ২৫ ও ৫০ শতাংশ শ্রমিক নিয়ে চা বাগান খুললেও উৎপাদন ২০১৯-এর চেয়ে কমে যায়। ২০২১-এ ফের কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে কাবু হয় দার্জিলিং চায়ের উৎপাদন। একদিকে কমেছে উৎপাদন, অন্যদিকে মার খেয়েছে বিদেশের বাজারে রফতানির পরিমাণ। এই দুইয়ের জেরে সংকটে চা শিল্পমহল। রাজ্য বা কেন্দ্রের ঘোষণা মতো বিশেষ আর্থিক প্যাকেজও মেলেনি। আর তাই চা শিল্পপতিদের দাবি, দার্জিলিং চায়ের হারানো জৌলুস ফেরাতে চাই সরকারি সাহায্য। নাহলে দার্জিলিং চায়ের কদর আরও কমবে বিশ্বের বাজারে।

Partha Sarkar

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: