corona virus btn
corona virus btn
Loading

আত্মহত্যাই করেছেন দেবেন্দ্রনাথ রায়, দাবি ময়নাতদন্ত রিপোর্টে, মানতে নারাজ বিজেপি 

আত্মহত্যাই করেছেন দেবেন্দ্রনাথ রায়, দাবি ময়নাতদন্ত রিপোর্টে, মানতে নারাজ বিজেপি 
প্রতীকী চিত্র৷

বিজেপি অভিযোগ করে, তৃণমূলের গুন্ডাদের হাতেই নিহত হয়েছেন দেবেন্দ্রনাথ রায় । দলের তরফে আরও দাবি করা হয়, মৃত বিধায়ককে হত্যা করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে ।

  • Share this:

#হেমতাবাদ: আত্মহত্যাই করেছেন হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে সে কথাই বলা হল। মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসে জেলা প্রশাসনের। যে রিপোর্টে স্পষ্টভাবেই বলা হয়েছে, দেবেন্দ্রনাথের শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। তাঁর মাথায় কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সোমবার সকালে বাড়ির থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চায়ের দোকানের বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় দেবেন্দ্রনাথবাবুর দেহ। রবিবার রাত থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। বিধায়কের মৃত্যু নিয়ে স্বাভাবিক ভাবে শুরু হয় চাপানউতোর।

বিজেপি দাবি করে, তৃণমূলের গুন্ডাদের হাতেই নিহত হয়েছেন দেবেন্দ্রনাথ রায় । দলের তরফে আরও দাবি করা হয়, মৃত বিধায়ককে হত্যা করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল প্রথম থেকেই পাল্টা দাবি করে আসছিলেন, এটি আত্মহত্যাই। একইসঙ্গে এই আত্মহত্যার জন্য পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত কারণকেই সামনে এনেছিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি। বাম, বিজেপি,  তৃণমূল সব পক্ষই তদন্তের দাবি করে। তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডি-কে।

অবশেষে এই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আত্মহত্যার তত্ত্বকেই স্বীকৃতি দিল। যদিও ময়নাতদন্তের এই রিপোর্টকে মানতে নারাজ বিজেপি। মঙ্গলবার এই রিপোর্টকে সাজানো আখ্যা দিয়ে বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন ।

অন্যদিকে তদন্তকারীদের আরও দাবি, দেবেন্দ্রনাথবাবুর পকেট থেকে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গিয়েছিল। ওই নোটে মালদহের ইংরেজবাজারের দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা ছিল। দেবেন্দ্রনাথবাবুর মৃত্যুর সঙ্গে ওই দুই ব্যক্তির কী যোগ তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, বিজেপি বিধায়কের বেশ কিছু দেনাও হয়েছিল বাজারে। তাঁর এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য এ বিষয়টি কতটা দায়ী বা আদৌ দায়ী কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

SOURAV GUHA

Published by: Debamoy Ghosh
First published: July 14, 2020, 1:09 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर