নাবালিকার বিয়ে রুখে দিল পুলিশ

নাবালিকার বিয়ে রুখে দিল পুলিশ
  • Share this:

Partha Pratim Sarkar

#শিলিগুড়ি: স্কুলের গণ্ডি এখনও পার করেনি। স্কুল জীবনেই একে অপরকে ভালোবেসে ফেলা। বাড়ির অমতে গত রবিবারে পালিয়ে গিয়েছিল দু’জনেই। আর তা জানাজানি হতেই দুই বাড়ির অভিভাবকরা আলোচনায় বসে। বিয়ে দেওয়া হবে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় ওদের। সেইমতো দুই পক্ষই বসে বিয়ের দিনক্ষন স্থির করে ফেলেন। কিন্তু পাত্রী যে নাবালিকা! অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী।

পাড়া প্রতিবেশীরাই খবর দেয় থানায়। বুধবারই ছিল ওদের বিয়ে। ধুমধাম করেই বিয়ের আয়োজন করে পাত্রী পক্ষ। সেইমতো আত্মীয়স্বজন, বন্ধু বান্ধবদের আমন্ত্রণও জানানো হয়। বাইরে থেকে আত্মীয়রাও হাজির। বিয়ে যে আজই। তাই সকাল থেকেই চলছিল ব্যস্ততা। বিয়ের প্যান্ডেল, ছাদনাতলা সবই ছিল তৈরি। মাছ, মাংস থেকে সবজি, মিষ্টি সবেরই আয়োজন ছিল ভরপুর। রাতেই ছিল লগ্ন। কনে সেজে উঠবে। আসবে বর। সবই ভেস্তে গেল দুপুরে।

20191211_183221

আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশ অফিসারেরা আসতেই ভেঙে গেল বিয়ে। পাড়া প্রতিবেশীদের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ পৌঁছেই কথা বলেন পাত্রীর অভিভাবকদের সঙ্গে। সব শুনে পুলিশ তাদের জানিয়ে দেয় এই বিয়ে হবে না। পাত্রী নাবালিকা। বিয়ে হলে দু'পক্ষকেই গ্রেফতার করা হবে। মূহূর্তের মধ্যে বিয়ের উৎসাহে ভাঁটা। পিছিয়ে আসে পাত্র-পাত্রী দু'পক্ষই। শিলিগুড়ি লাগোয়া ইস্টার্ন বাইপাসের মাঝাবাড়ির ঘটনা। আর ছেলের বাড়ি তেলি পাড়ায়। বিয়ের সব আয়োজনের কি হবে তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান পাত্রী পক্ষ। তবে পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে, খাওয়া-দাওয়া হতেই পারে। বিয়ে নয়। আর পুলিশের কথা মেনে আরো দু’বছর অপেক্ষাই করতে চায় পাত্রী পক্ষ। পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছে প্রতিবেশীরা। শিলিগুড়ির ডিসিপি পূর্ব ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় জানান, নাবালিকাকে জোর করে বিয়ে দেওয়া অপরাধ। তা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তাই পুলিশ সেই কাজই করেছে।

First published: 08:00:16 PM Dec 11, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर