উত্তরবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মানবিক পুলিশ, লকডাউনে বাড়িতে গিয়ে ওষুধ পৌঁছে দিয়ে এলেন অফিসার

মানবিক পুলিশ, লকডাউনে বাড়িতে গিয়ে ওষুধ পৌঁছে দিয়ে এলেন অফিসার
ওষুধ পৌঁছে দিলেন পুলিশ অফিসার৷ PHOTO- SOURCE

শোকের মাঝেই সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার সহ অন্য সহ কর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানান বাতাসি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শর্মিলা দত্ত।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: মানবিকতার এক অন্য নজির গড়ল শিলিগুড়ি পুলিশ। একেই তো দিনভর চলছে লকডাউন নিয়ে ডিউটি। লকডাউন ভাঙলেই চলছে ব্যপক ধরপাকড়। সকাল থেকেই শহরের রাস্তায় পুলিশি নজরদারি। এবারে এক অন্য ভূমিকায় শিলিগুড়ি পুলিশ।

রবিবারই মাতৃহারা হয়েছেন দেশবন্ধু পাড়ার এক যুবক। পেশায় বেসরকারি সংস্থার কর্মী ওই যুবকের শারীরিক অসুস্থতার জন্য নিয়মিত ওষুধ প্রয়োজন হয়। বাড়িতে স্কুল শিক্ষিকা পিসি ছাড়া আর কেউ নেই৷ প্রতিদিনই প্রয়োজন ওষুধের। কিন্তু রবিবারই সেই ওষুধ ফুরিয়ে গিয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। ওই যুবক অসুস্থ, বাড়িতে পিসি ছাডা কেউ নেই৷ লকডাউনের মধ্যে ওষুধ কীভাবে আনবেন?

উপায় বের করেন স্কুল শিক্ষিকা যুবকের পিসি। ভাইপোর ওষুধের জন্যে দরবার করেন পুলিশের কাছে। ডায়াল করেন পুলিশের ১০০ নম্বরে। সেখান থেকে তাঁকে এক অফিসারের মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়। তৎক্ষনাৎ ফোন করেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারকে। জানিয়ে দেন প্রয়োজনীয় ওষুধের নাম। এবং শিলিগুড়ির একটি দোকানেই পাওয়া যায়। তাও আবার ভক্তিনগর থানার পাশে।

ফোন পেয়েই এগিয়ে আসেন পুলিশ অফিসার। বাড়িয়ে দেন সহযোগিতার হাত। বাড়িতে এমন কেউ নেই যে বেড়িয়ে ওষুধ কিনে আনবেন। কেননা তাঁদের বাড়ি থেকে ওষুধের দোকানের দূরত্ব অনেকটা। আজ দুপুরেই সেই ওষুধ খাম বন্দি হয়ে পৌঁছে যায় দেশবন্ধু পাড়ার শিক্ষিকার বাড়িতে। শিলিগুড়ি থানার পুলিশ অফিসার সজল রায় অন্য সহ কর্মীদের নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন। থানা থেকে সোজা চলে যান দেশবন্ধু পাড়ায়। শিক্ষিকার হাতে তুলে দেন খাম বন্দি ওষুধ। পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিভূত তাঁরা।

শোকের মাঝেই সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার সহ অন্য সহ কর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানান বাতাসি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শর্মিলা দত্ত। তিনি জানান, এই সময়ে একেই সদা ব্যস্ত পুলিশ। তার মাঝে বাড়িতে এসে ওষুধ পৌঁছে দেওয়ায় কুর্ণিশ পুলিশ কর্মীদের। কিন্তু আজ এক অন্য ভূমিকায় দেখা গেল পুলিশকে। মানবিকও পুলিশ! পুলিশের ভূমিকায় কৃতজ্ঞ উপকৃত পরিবারের লোকেরা।

Published by: Debamoy Ghosh
First published: April 27, 2020, 5:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर