corona virus btn
corona virus btn
Loading

সরকারি গাইডলাইন মেনে খুলল দোকান, ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে শৈলশহর

সরকারি গাইডলাইন মেনে খুলল দোকান, ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে শৈলশহর

টানা ২ মাস বন্ধ থাকার পর খুলেছে একাধিক দোকান।

  • Share this:

#দার্জিলিং: ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে শৈলশহর। সরকারি নির্দেশিকা মেনে আজ থেকে খুললো দোকান। টানা ২ মাস বন্ধ থাকার পর খুলেছে একাধিক দোকান। চৌরাস্তা থেকে চকবাজার একে একে খুলেছে দোকান। সরকারী গাইড লাইন মানতেই হবে, সাফ জানিয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন। সেইমতো এক এক করে খুলেছে দোকান। গরম জামা কাপড় থেকে অন্য প্রয়োজনীয়, অতি প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকানের ঝাঁপ খুলেছে। কিন্তু তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা কম।

একমাত্র শহুরে ক্রেতার দেখা মিলেছে। লকডাউনের জেরে যান চলাচল এখোনো স্বাভাবিক হয়নি। তাই দূরের ক্রেতাদের ভিড় জমেনি। দোকান খুললেও সেই হাসি নেই ব্যবসায়ীদের মুখে। কেননা, একেই পর্যটকদের আনাগোনা বনশ। তারওপর ৩১ মে পর্যন্ত লকডাউন চলছে।

স্বাভাবিকভাবেই তুলনায় কম রয়েছে ক্রেতার সংখ্যা। একে লকডাউন, তারওপর সকাল থেকেই কখোনো ঝিরঝিরে, আবার কখোনো মাঝারি বৃষ্টি চলছে। তাই খুব প্রয়োজনেই ছাতা মাথায় নিয়ে পাহাড়ের রাস্তায় নেমেছেন ক্রেতারা। কবে নিজের চেনা মেজাজে ফিরবে শৈলরাণী? উত্তর খুঁজছে ব্যবসায়ীরাও।

পর্যটক নির্ভর পাহাড়ের  ব্যবসায়ীরা। তাই পর্যটকদের জন্য পাহাড় না খুললে ব্যবসা জমবে না, তা মেনে নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে ব্যবসায়ীরা সরকারী নির্দেশিকা মেনেই ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে দোকান চালাচ্ছে। সেক্ষেত্রে কর্মীদের বেতন অবশ্য কাটা হচ্ছে না বলে দাবী ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবী, ক্রেতাদেরও আরো সতর্ক হতে হবে।

সরকারি গাইড লাইন অনুযায়ী বিক্রেতারা মাস্ক, হ্যাণ্ড গ্লাভস ব্যবহার করছেন। তেমনি পারস্পরিক দূরত্ব মেনে চলছে ক্রেতা এবং বিক্রেতারা। তবে কিছু কিছু দোকানে ক্রেতারা তা মানছেন না বলেও অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিটি দোকানের বাইরে হ্যাণ্ড স্যানিটাইজার রাখা হয়েছে। দোকানে এলেই স্যানিটাইজার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। আগামীদিনে আরো কিছু নির্দেশিকা সরকার দিলে তা মেনেই চলা হবে বলে জানিয়েছেন দার্জিলিংয়ের ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারাও মাস্ক বা ফেস কভার পড়ে বাজারে না এলে কেনা-বেচায় "না" বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: May 22, 2020, 8:19 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर