• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • PEOPLE OF DAREJEELING ARE DISAPPOINTED BECAUSE OF THE PRIVATIZATION OF TOY TRAIN SWD

Darjeeling: টয়ট্রেনের বেসরকারিকরণের বিরোধিতায় ক্ষোভ বাড়ছে পাহাড় থেকে সমতলে

বিক্ষোভের সুর গুরুংদের গলাতেও। রেলের দাবি, "এটা হেরিটেজ ট্রেন, পর্যটকদের ট্রেন, যতদিন থাকবে আমরা ভালোভাবে চালাবো"

বিক্ষোভের সুর গুরুংদের গলাতেও। রেলের দাবি, "এটা হেরিটেজ ট্রেন, পর্যটকদের ট্রেন, যতদিন থাকবে আমরা ভালোভাবে চালাবো"

  • Share this:

#দার্জিলিং: দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের বেসরকারিকরণে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছে উত্তরে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত কোনওভাবেই মেনে নিতে চান না পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠন থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। এমনকী রেলের কর্মচারীদের একটা বড় অংশও এর বিরোধিতা করছে। কেন্দ্রের এহেন নীতি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে আজই প্রধানমন্ত্রীর কাছে দু'পাতার চিঠি পাঠিয়েছে হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্যুরিজম ডেভলোপমেন্ট নেটওয়ার্ক (HHTDN)।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানান, টয়ট্রেন ইউনেসকোর স্বীকৃত হেরিটেজ। বেসরকারিকরণ করা হলে পর্যটন শিল্পে বড় প্রভাব পড়বে। হস্তক্ষেপ দাবি করে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও চিঠি পাঠাচ্ছে তারা। গতকালই এর বিরোধিতায় সুর চড়ান প্রাক্তন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। পাহাড়ের অনীতপন্থী দলের মুখপাত্র কেশবরাজ পোখরেল জানান, দার্জিলিংয়ের গর্ব টয়ট্রেন। পাহাড়বাসীর সঙ্গে এর সম্পর্ক আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ। বিজেপি সরকার একের পর সরকারি প্রতিষ্ঠান বিক্রি করছে।

এবারে ডি এইচ আর বিক্রি করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তার বিরোধীতায় কাল থেকে পথে নামছে তারা। সুকনা থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত প্রতিটি স্টেশনে বিক্ষোভ প্রদর্শন। নেতৃত্বে অনীত থাপা নিজেই থাকবেন। হাতে থাকবে প্ল্যাকার্ড। কালো ব্যাজ পড়ে চলবে বিক্ষোভ। জানালেন দলের মুখপাত্র কেশবরাজ পোখরেল। দিনভর চলবে এই বিক্ষোভ।বিমল গুরুংপন্থী মোর্চার সাধারন সম্পাদক রোশন গিরি বলেন, "আমরা বেসরকারিকরণের বিরোধী। ভারতীয় রেলেরই এই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া উচিত। এর বিরোধিতায় সরব সব বিরোধীরাই।"

যদিও বিজেপি সমর্থিত দার্জিলিংয়ের জিএনএলএফ বিধায়ক নীরজ জিম্বার পালটা দাবি, একেই আর্থিক সংকটে চলছে টয়ট্রেন পরিষেবা। এর ভালোর জন্যেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। এতে আখেরে দেশের ভালো হবে। পরিষেবার মানোন্নয়ন হবে। অন্যদিকে বেসরকারিকরণ প্রসঙ্গে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহারের ডিআরএম এসকে চৌধুরী বলেন, এখনও এবিষয়ে তাদের কাছে কোনো খবর নেই। পুরোটাই সংবাদমাধ্যমে দেখা। ডি এইচ আর হেরিটেজ। একে রক্ষা করাই আমাদের দায়িত্ব। যতদিন আমাদের হাতে থাকবে আমরা ভালো করে চালাবো। উন্নত পরিষেবা দেব। কেননা এটা ইউনেস্কোর হেরিটেজ ট্রেন। পর্যটকদের ট্রেন।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published: