• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • করোনার ভয়ে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা একলাফে অর্ধেক! কেউ ভর্তি হতে চাইছেন না

করোনার ভয়ে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা একলাফে অর্ধেক! কেউ ভর্তি হতে চাইছেন না

হাসপাতালের বর্হিবিভাগে রোগীরা কম আসছেন। আর যাঁরা নিরুপায় হয়ে আসছেন তাঁদের অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হতে আপত্তি জানাচ্ছেন।

হাসপাতালের বর্হিবিভাগে রোগীরা কম আসছেন। আর যাঁরা নিরুপায় হয়ে আসছেন তাঁদের অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হতে আপত্তি জানাচ্ছেন।

হাসপাতালের বর্হিবিভাগে রোগীরা কম আসছেন। আর যাঁরা নিরুপায় হয়ে আসছেন তাঁদের অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হতে আপত্তি জানাচ্ছেন।

  • Share this:

Uttam Paul

#রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জ করোনা আতঙ্কে রায়গঞ্জ গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা একলাফে অর্ধেক। হাসপাতালের বর্হিবিভাগেও রোগীরা ভয়ে চিকিৎসা করাতে আসছেন না।

করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়ছে গোটা বিশ্ব। করোনা চিকিৎসার জন্য রায়গঞ্জ গভঃ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরী হয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকদের লালারস সংগ্রহ করা ছাড়াও করোনা রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা হাসপাতালেই করা হচ্ছে। গ্রাম থেকে শহরের মানুষের করোনার আতঙ্ক পৌঁছে গিয়েছে। গ্রামগঞ্জ থেকে রোগীরা চিকিৎসা করাতে হাসপাতালকে বেছে নিতেন। আজ তাঁরাও হাসপাতাল মুখী হতে চাইছেন না। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, করোনা আক্রমণের আগে হাসপাতালের বর্হিবিভাগে রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ রোগী হত। লকডাউনের পর থেকে সেই বর্হিবিভাগে রোগীর সংখ্যা কমে হয়েছে ৪০০ থেকে ৫০০। যে সমস্ত রোগী নিরুপায় হয়ে হাসপাতালের বর্হিবিভাগে চিকিৎসা করাতে আসছেন তাঁদের অধিকাংই হাসপাতালে ভর্তি হতে চাইছেন না।

রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল হওয়ার পর হাসপাতালের বেডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৯৩। শুধুমাত্র প্রসূতি বিভাগ ছাড়া অধিকাংশ বিভাগের রোগীর সংখ্যা খুবই কম। হাসপাতালের সহকারী সুপার অভিক মাইতি জানিয়েছেন, বর্তমানে হাসপাতালে ২৪৬ জন রোগী ভর্তি আছেন। যাঁদের মধ্যে অধিকাংশই প্রসূতি বিভাগে। সহকারী সুপার জানান, হাসপাতালের বর্হিবিভাগে রোগীরা কম আসছেন। আর যাঁরা নিরুপায় হয়ে আসছেন তাঁদের অধিকাংশই হাসপাতালে ভর্তি হতে আপত্তি জানাচ্ছেন।ফলে চিকিৎসকরাও রোগীর আপত্তিতে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সুপারিশ করছেন না। ফলে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা দিন দিন কমছে।

স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের কার্যকর্তা কৌশিক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, লকডাউনের পর থেকেই গ্রামগঞ্জের রোগীরা করোনার ভয়ে হাসপাতাল মুখী হতে চাইছেন না। বিনা চিকিৎসায় না মারা যান তাঁর জন্য গ্রামবাসীদের সচেতন করা হচ্ছে। করোনার বিরুদ্ধে লড়ে করোনাকে জয় করতে হবে। এভাবেই তাঁরা গ্রামগঞ্জে  প্রচার চালাচ্ছেন। তাতেও গ্রামগঞ্জের মানুষকে খুব বেশী সচেতন করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি স্বীকার করে নেন।

Published by:Simli Raha
First published: