• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে বোমাবাজি, গুলি, উত্তপ্ত নঘরিয়া, আহত বেশ কয়েকজন

তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে বোমাবাজি, গুলি, উত্তপ্ত নঘরিয়া, আহত বেশ কয়েকজন

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই নেতা পরস্পরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই নেতা পরস্পরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই নেতা পরস্পরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন।

  • Share this:

#মালদহ: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত ইংরেজবাজারের নঘরিয়া।  সালিশি সভাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হয়। গুলিও চলে বলে অভিযোগ। আহত বেশ কয়েকজন। জমি বিবাদের জেরে এলাকায় সালিশি সভা বসে। সেই সালিশি সভায় গন্ডগোলের জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী জাহেদুল শেখের গোষ্ঠী এবং তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী আব্দুল আরেফ ওরফে লাকির দলবল। উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পৌঁছেছে পুলিশ বাহিনী। গুরুতর আহত ফুলবাড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের দেওরকে ভর্তি করা হয়েছে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

জানা গিয়েছে, ফুলবাড়িয়ার নতুন নঘরিয়ার নাদাব পাড়ায় পারিবারিক জমি বিবাদ মেটাতে আজ সকালে সালিশি সভা বসে। ওই জমি বিবাদ নিয়ে মাসখানেক আগে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের উপস্থিতিতে এক দফা সালিশি সভা হয়। সেখানে টাকার লেনদেন নিয়ে গোলমালের জেরে সালিশি সভা ভেস্তে যায়। পাল্টা এদিন প্রধানের স্বামীর  উপস্থিতিতে সালিশি সভার ব্যবস্থা হয় এই নিয়ে প্রধানের স্বামীর সঙ্গে অপর এক পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীর রেষারেষি তৈরি হয়। এদিন সকালে সালিশি সভা শুরুর মুহূর্তে দু'পক্ষের মধ্যে গোলমাল বেঁধে যায়। ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা, প্রকাশ্যে বোমাবাজি চলে। এমনকি গুলিও চলে বলে অভিযোগ। ধারালো অস্ত্রের কোপে জখম হন পঞ্চায়েত প্রধান রহিমা বিবির দেওর দাউদ শেখ। তাঁর পিঠে ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে। তড়িঘড়ি তাঁকে আনা হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছয় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই নেতা পরস্পরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা তথা প্রধানের স্বামী জাহিদুল শেখ এর অভিযোগ, তাঁর লোকজন এলাকায় পৌছতেই আব্দুল আরিফের লোকেরা হামলা চালায়।  ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারা হয় তাঁর আত্মীয়কে। ঘটনার সময় এলাকায় ছিলেন না বলে দাবি করেছেন পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী। অন্যদিকে পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী অপর অভিযুক্ত আব্দুল আরেফ বলেন, পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী এলাকায় গোলমাল পাকিয়েছে। তাঁরাই হামলা চালায়,বোমাবাজি করে।পুলিশ জানিয়েছে, গোলমালে পর এলাকায় বাড়তি পুলিশ পাঠানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Published by:Pooja Basu
First published: