• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • ONE OF BULLET VICTIMS WIFE IS PREGNANT ONES CHILD 45 DAYS OLD PATHETIC SITUATION IN MATHABHANGA SDG

Coochbehar Violence: একজনের সন্তান ৪৫ দিনের, অন্যজনের স্ত্রী গর্ভবতী, গুলিকাণ্ডের পরে মাথাভাঙার বাতাসেও কান্নার শব্দ

জোরপাটকিতে গুলিকাণ্ডে মৃতদের দেহ। ছবিঃ সম্রাজ বন্দ্যোপাধ্যায়।

শনিবার মাত্র কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে ওলোট-পালোট হয়ে গেল সব হিসেব। যে বাড়ির হাসির শব্দ পাড়ার শেষ থেকে শোনা যেত, সেই সব বাড়ির কান্নার শব্দে ভারী মাথাভাঙার বাতাসও।

  • Share this:

    #মাথাভাঙাঃ ফলে দুই বাড়িতেই খুশির অভাব ছিল না। কিন্তু শনিবার ভোটের দিন (West Bengal Election 2021) মাত্র কয়েক মুহূর্তের ব্যবধানে ওলোট-পালোট হয়ে গেল সব হিসেব। যে বাড়ির হাসির শব্দ পাড়ার শেষ থেকে শোনা যেত, সেই সব বাড়ির কান্নার শব্দে ভারী মাথাভাঙার বাতাসও।

    শনিবার চতুর্থ দফা নির্বাচন (Belgal Poll 2021 Violence) চলাকালীন আধা সেনার গুলিতে (Central Force Firing) প্রাণ হারিয়েছেন মাথাভাঙার জোরপাটকির বাসিন্দা জবেদ আলী, আমজাদ হোসেন, নমিদ মিঞা এবং ছলমু মিঞা। চারজনের বয়স ২০-৩০ বছরের মধ্যে। পরিবারের সদস্যরাই জানিয়েছেন, এ দিন ভোট দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। তারপরেই ঘটে যায় এমন মর্মান্তিক ঘটনা। গত প্রায় ২৪ ঘণ্টায় কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল শুকিয়ে গিয়েছে সকলের। শোকের পাথর হয়ে গিয়েছেন আসন্নপ্রসবা তরুনী গৃহবধুও। সন্তান যে বাবার মুখ পর্যন্ত দেখতে পাবে না, তা দুঃস্বপ্নের থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর, তা বলার শক্তিও নেই।

    শনিবার দুপুরের এই ঘটনার পরেই সন্ধ্যায় শিলিগুড়ি উড়ে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। রবিবার নিহতদের পরিবারের কাছে যাওয়ার কথা জানিয়ে দেন। কিন্তু এ দিন রাতেই নির্বাচন কমিশন নির্দেশ (Election Commission) জারি করে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কোচবিহারে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা বা নেত্রী প্রবেশ করতে পারবেন না। ফলে কমিশনের এই নির্দেশানুসারে আজ মাথাভাঙা যেতে পারেননি তৃণমূল নেত্রী। তবে রবিবার সকালে সাংবাদিক সম্মেলনের (Mamata Banerjee Press Conference) সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন তিনি। পরিবারের সকলের বিষয়ে খোঁজখবর নেন। এরপর জানান, "৩ দিনের জন্য কোচবিহারে প্রবেশ রুখতে পারে, কিন্তু চতুর্থ দিন আমি সেখানে যাবই। নিজের মানুষদের পাশে দাঁড়াতে বিশ্বের কেউ আমাকে রুখতে পারবে না।’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ দিন ফোনে করে কথা বলার সময়েই জানতে পারেন, একজনের সদ্যোজাত সন্তান এবং অন্যকজনের গর্ভবতী স্ত্রীর কথা। তিনি সকলকে আশ্বস্ত করেছেন, রাজ্য সরকার সকলের পরিবারের দেখভাল করবে যথাসম্ভব। এ দিনের বৈঠক থেকেই তৃণমূল সুপ্রিমো স্থানীয় তৃণমূল নেতা পার্থপ্রতিম রায়কে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন। পাশাপাশি তিনি সেই সময় যাতে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে থাকেন, তারও নির্দেশ দেন।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: