Home /News /north-bengal /
পুজোতেই শান্ত হবে করোনা ভাইরাস ! ধুমধাম করে "করোনা মাতার" পুজো দিলেন মহিলারা!

পুজোতেই শান্ত হবে করোনা ভাইরাস ! ধুমধাম করে "করোনা মাতার" পুজো দিলেন মহিলারা!

একপ্রকার অন্ধ কুসংস্কারের বশে আচ্ছন্ন হয়ে করোনা ভাইরাসকে দেবী রূপে পুজা করছেন রায়গঞ্জ শহরের বন্দর শ্মশান কলোনির মহিলারা।

  • Share this:

#রায়গঞ্জ: দেশ থেকে করোনা মুক্ত করতে রায়গঞ্জ কুলিক নদীর ধারে পূজা দিলেন এলাকার মহিলারা। "বিশ্বাসে মেলায়ে বস্তু তর্কে বহু দূর".... হ্যা, এই বিশ্বাসকে হাতিয়ার করে নদীর পাড়ে পুজো দিলেন এলাকার সমস্ত মহিলারা৷ এমনকি যারা অসুস্থ, তারও সামিল হলেন এই পুজোয়৷ দেশ থেকে করোনা ভাইরাস নির্মূল হবে, করোনাকে শান্ত করতে এবার তাকে দেবী রূপে পুজো দিলেন রায়গঞ্জ শ্মশান কলোনীর বাসিন্দারা। উপবাস থেকে মহিলারা পুজো দিলেন। তাদের বিশ্বাস এই পুজোতেই শান্ত হবে করোনা ভাইরাস।

মহিলাদের এই পুজোকে আমল দিতে রাজি নয় পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ।বিজ্ঞান মঞ্চের দাবি করোনা ভাইরাসকে নিয়ে মানুষ খুবই অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। এখনও আসেনি ভ্যাকসিন, তাই মানুষ নানা প্রকারে মুক্ত হতে চাইছেন এই করোনা থেকে৷ যার জন্য করোনা পুজো করতেও তাদের দ্বিধা নেই৷ তবে বিজ্ঞান মঞ্চ বলছে যে, এই পুজো করে করোনাকে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এতে সময় নষ্ট হচ্ছে এবং কাজের কাজ কিছুই হবে না বলে জানান বিজ্ঞান মঞ্চের সভাপতি।

মানুষ মঙ্গল গ্রহে পা রেখে বিজ্ঞানের চরম উন্নতির শিখরে পৌঁছে গিয়েছে, ডিজিটাল যুগ শুরু হয়েছে। করোনা নামক মহামারীকে জয় করার অক্লান্ত প্রয়াস চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা ও স্বাস্থ্য দফতর। কয়েক লক্ষ করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। সেই সময় একপ্রকার অন্ধ কুসংস্কারের বশে আচ্ছন্ন হয়ে করোনা ভাইরাসকে দেবী রূপে পুজো করছেন রায়গঞ্জ শহরের বন্দর শ্মশান কলোনির মহিলারা। কোনও মূর্তি বা ছবি নয়, মাটিতেই ৯ টি জবা ফুল, ৯ টি লাড্ডু, ৯ টি লবঙ্গ দিয়ে "করোনা মাতার " পুজো করলেন বেশ কয়েকজন মহিলা। এমনই একজন সীমা যাদব। তিনি জানালেন, করোনাকে শান্ত করতে, দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে এই পুজোয় সামিল হয়েছেন তিনিও। মহিলাদের দাবি, একমাত্র এভাবেই করোনাকে জয় করা যাবে।

করোনার করুনা পেতে করোনা ভাইরাসের ছোবল থেকে নিজেদের রক্ষা করতে মহিলাদের এই অভিনব পুজো এলাকায় আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।পুজোর পুরোহিত সত্যজিৎ চক্রবতীও মনে করেন মহিলারাই পুজো দিয়ে করোনা মুক্ত দেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন। তবে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ এই সমস্ত বক্তব্যকে আমল দিচ্ছে না। মানুষের অসহায় অবস্থা হলে এধরনের কুসসংস্কারকে আকড়ে ধরতে চায়। যাকে একেবারই পাত্তা দেওয়া উচিৎ নয় বলেই তাদের মত৷ করোনা ভাইরাসের ভয়ে মানুষ এতটাই অসহায় যে কুসংস্কারকে ধরে বেঁচে থাকতে চাইছে। এগুলো করে সময় নষ্ট ছাড়া কিছু নয় বলে বিজ্ঞান মঞ্চের সভাপতি অঞ্জন মজুমদারের দাবি৷

Published by:Pooja Basu
First published:

Tags: Coronavirus, COVID19

পরবর্তী খবর