• Home
  • »
  • News
  • »
  • north-bengal
  • »
  • ভুটান ও সিকিম পাহাড়ে বৃষ্টির জের, জলমগ্ন জলপাইগুড়ি, বিন্নাগুড়ি

ভুটান ও সিকিম পাহাড়ে বৃষ্টির জের, জলমগ্ন জলপাইগুড়ি, বিন্নাগুড়ি

ভুটান ও সিকিম পাহাড়ে অনবরত বৃষ্টির জের। ডুয়ার্স ও তরাইয়ের বিভিন্ন নদীর জল বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়।

ভুটান ও সিকিম পাহাড়ে অনবরত বৃষ্টির জের। ডুয়ার্স ও তরাইয়ের বিভিন্ন নদীর জল বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়।

ভুটান ও সিকিম পাহাড়ে অনবরত বৃষ্টির জের। ডুয়ার্স ও তরাইয়ের বিভিন্ন নদীর জল বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #শিলিগুড়ি: ভুটান ও সিকিম পাহাড়ে অনবরত বৃষ্টির জের। ডুয়ার্স ও তরাইয়ের বিভিন্ন নদীর জল বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এলাকায়। তিস্তা নদীতে জল বাড়ায় বিপদ সংকেত জারি হয়েছে। চরম সতর্কতা জারি হয়েছে তোর্সা নদীতে।

    জলপাইগুড়ি জেলার সাতটি ব্লকে জলবন্দি প্রায় ৫ হাজার মানুষ। ময়নাগুড়ির চাঁপাডাঙা, বাসুসুবা, মিলনপল্লি এলাকায় বাড়িতে বাড়িতে জল ঢুকেছে। অসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী জলমগ্ন মানুষদের উদ্ধার করে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাচ্ছে। বাইট--স্থানীয় বাসিন্দা

    ডুয়ার্সের হাতিনালা নদীর জল ঢুকেছে বানারহাট এলাকায়। বানারহাট স্বাস্থ্য কেন্দ্র জলমগ্ন হয়ে পড়ায় হয়রানি হতে হচ্ছে রোগী ও তার পরিজনদের। বানারহাট হিন্দি প্রাইমারি স্কুল জলমগ্ন হয়ে পড়ায় স্কুল ছুটি ঘোষণা করা হয়। ডুয়ার্সের গিলানডি, ডুডুয়া, রায়ডাক নদীতে জল বেড়েছে।

    বিন্নাগুড়ির পাঁচটি চা বাগান জনমগ্ন। বিন্নাগুড়ির নেতাজি পল্লি, এস এন কলোনি, খালপাড়া, প্রভৃতি এলাকায় হাতিনালার জল ঢুকে পড়ায় বিন্নাগুড়ি রেল স্টেশনে আশ্রয় নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আলিপুরদুপয়ারের তোর্ষা নদীতে চরম সতকর্তা জারি। বাংড়ি নদীর জল বাড়ায় টোটোপাড়া থেকে মাদারিহাট যাওয়ার রাস্তা বিচ্ছিন্ন। তোর্ষা নদীর জল বেড়ে যাওয়ার শালকুমার এলাকাও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছএ। কয়েকশো মানুষ গৃহবন্দি হয়ে রয়েছেন। কালজানি নদীর জল বাড়াতে বীরপাড়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন।

    ৩১ নং জাতীয় সড়কের পাশে অস্থায়ী ভাবে প্লাস্টিকের ছাউনি বানিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন লোকজন। ত্রাণ না পাওয়ায় ক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষ। তবে জলপাইগুড়ির জেলাশাসক জাননা, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    First published: