অশান্ত পাহাড়, পুজোয় এবার দার্জিলিং ট্যুর নিয়ে আশঙ্কায় বাঙালি

অশান্ত পাহাড়, পুজোয় এবার দার্জিলিং ট্যুর নিয়ে আশঙ্কায় বাঙালি

অশান্ত পাহাড়, পুজোয় এবার দার্জিলিং ট্যুর নিয়ে আশঙ্কায় বাঙালি

  • Share this:

    #দার্জিলিং: পুজোয় বাঙালির বেড়াতে যাওয়ার জায়গা হিসেবে দার্জিলিং-ও কখনও একঘেয়ে হয় না। কিন্তু এবার পুজোয় সেই ভাবনায় মেঘ জমেছে। আশঙ্কার দোলাচলে পাহাড় ভ্রমণ।

    ট্রেনের টিকিট কাটার উত্তেজনা সেই কবেই শেষ। এক্কেবারে কনফার্মড। অনলাইনে হোটেল বুকিং নিয়ে বহু পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষ। পাড়ায় বাবুলদার অল ইন্ডিয়া ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসে গিয়ে ছবি টবি দেখে ম্যালের কাছেই একখান খাসা হোটেলের ভিউ রুম বুক করা হয়েছে। রাত্রের ট্রেনের খাবার হিসেবে লুচি-তরকারি, ফ্রায়েড রাইস-চিলি চিকেনের লড়াই এখনও জারি। কিন্তু যাকে নিয়ে এত আয়োজন, সেই শৈলশহরে আদৌ পা রাখা যাবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা।

    দার্জিলিং, কাঞ্চনজঙ্ঘা, টয়ট্রেন, ম্যালের ঘোড়া এসব বললেই বাবা-কাকা-মামা সবার মুখ গম্ভীর। তাহলে কি দার্জিলিং বেড়াতে যাওয়া হবে না? মুখ কালো করে ঘুরছে বাড়ির ছোটরা। এমনই টুকরো ছবি ভ্রমণপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে। সমস্যায় ট্যুর অপারেটররাও।

    পর্যটকরাই দার্জিলিংয়ের প্রাণ। বর্ষার দু’একটা মাস বাদ দিয়ে সারাবছরই ট্যুরিস্টদের স্বর্গরাজ্য পাহাড়। হোটেল ব্যবসায়ী থেকে খাবার দোকান, স্যুভেনির শপ বা গাড়িচালক পাহাড়ের অর্থনীতি পঁচাত্তর শতাংশই পর্যটননির্ভর। অসাধারণ নিসর্গ, মৌনমুখর কাঞ্চনজঙ্ঘা আর সহজে পৌঁছনোর সুবিধে ব্র্যান্ড দার্জিলিংকে গোটা বিশ্বে পরিচিতি দিয়েছে। বর্তমান পাহাড়ে রাজনৈতিক অশান্তি সেই ব্র্যান্ডকেই ধাক্কা দিয়েছে। মনে করছেন ট্যুর অপারেটররা।

    একরাতের ট্রেনযাত্রা শেষ হলেই হাতের মুঠোয় হিমালয়। বাঙালি-অবাঙালি-বিদেশিদের সবার প্রিয় দার্জিলিংয়ে এখন অশান্তির আঁচ। পাহাড়ে গরম কমুক। উষ্ণতা বাড়ুক কনকনে ঠাণ্ডায় অ্যালিস ভিলার ফায়ার প্লেসে। বাঙালি মনে প্রাণে এটাই চাইছে।

    First published: